Home কুষ্টিয়া একজন সাহসী, নিষ্ঠাবান, সংস্কৃ‌তিমনস্ক ও গ্রহণ‌যোগ‌্য রাজনীতিবিদ মাহবুবউল আলম হানিফ

একজন সাহসী, নিষ্ঠাবান, সংস্কৃ‌তিমনস্ক ও গ্রহণ‌যোগ‌্য রাজনীতিবিদ মাহবুবউল আলম হানিফ

62

একজন সাহসী, নিষ্ঠাবান, সংস্কৃ‌তিমনস্ক ও গ্রহণ‌যোগ‌্য রাজনীতিবিদ মাহবুবউল আলম হানিফ

হেফাজত তাণ্ডব, ভাস্কর্য ইস্যু, সাংবাদিক নিপীড়নের বিরুদ্ধে, চা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি দাবি‌সহ জনমানু‌ষের সকল ইস্যুতে সরব দে‌শের সাহসী রাজনৈ‌তিক নেতা তিনি। এদেশ কিভাবে চলবে সেই ফয়সালা বঙ্গবন্ধু ‘৭১ সালেই করে গেছেন– এই মৌলিক উচ্চারণ তাঁর মুখে প্রতি‌নিয়ত ধ্ব‌নিত হ‌তে দে‌খি। এদেশের প্রতিটি মাদ্রাসায় জাতীয় সংগীত গাওয়া ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন বাধ্যতামূলক করার দাবিটিও সংস্কৃ‌তিমনস্ক এই রাজনী‌তি‌ক মাহবুবউল আলম হানিফের; তি‌নি বাংলা‌দেশ আওয়ামী লীগের সি‌নিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক। টানা চার মেয়া‌দে তিনি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চ‌লে‌ছেন। দলের একজন নি‌বে‌দিতপ্রাণ ও নির্ভরযোগ্য নেতা হিসেবে ইতোমধ্যে তিনি নেতাকর্মী ও রাজনী‌তি স‌চেতন মানু‌ষের ভা‌লোবাসা অর্জন ক‌রে‌ছেন। এখন তিনি পূর্ণকালীন রাজনীতিবিদ। দলের নেতাকর্মীদের কাছে তাঁর জনপ্রিয়তাও ক্রমশ বাড়ছে। নিয়মিত তিনি দলীয় কার্যালয়ে যাচ্ছেন, নিয়মিত কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের সাধ‌্যম‌তো চেষ্টা করছেন। আওয়ামী লীগের যে সদা সক্রিয় নেতা‌দের মধ্যে মাহবুবউল আলম হানিফ এখন অগ্রগণ‌্য। মাহবুবউল আলম হানিফকে এবার দ‌লের সাধারণ সম্পাদক পদের অন্যতম দাবিদার বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও মাহবুবউল আলম হানিফ এ নিয়ে মুখ খু‌লেননি। জননেত্রী শেখ হা‌সিনার সিদ্ধা‌ন্তের প্রতি সর্বান্তকর‌ণে আস্থাশীল হ‌য়ে নিরলসভা‌বে তিনি দলের কাজ করে যাচ্ছেন।

মাহবুবউল আলম হানিফের রাজনৈতিক পথচলা বেশ দীর্ঘ। তবে ওয়ান-ইলেভেনের সময়ে পাদপ্রদীপে আসেন তিনি। সেই সময় যখন আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট নেতারা বিশ্বাসঘাতকতা এবং লোভের কাছে বশ্যতা স্বীকার শুরু করে দিয়েছিলেন। দলীয় প্রধানের বিরুদ্ধে চক্রা‌ন্তে লিপ্ত হ‌য়ে সংস্কার প্রস্তাব উপস্থাপন করেছিলেন, সেই সময়ে যারা আওয়ামী লীগ সভাপতির পক্ষে চা‌পের মু‌খে জোরালো অবস্থান নিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে মাহবুবউল আলম হানিফ অন্যতম। তারপর থেকেই আওয়ামী রাজনীতিতে তাঁর সাহসী ভূমিকা নিয়মিত দৃশ্যমান। খালেদা-নিজামীর আগুন সন্ত্রাস ও জ্বালাও পোড়াও এর বিরুদ্ধে সবচেয়ে সাহসী এবং জোরালো ভূমিকা পালন করে চ‌লে‌ছেন জননেতা হানিফ।

আওয়ামী লীগের অনেক তৃণমূলের কর্মীরাই বলছেন যে, জরু‌রি প্রয়োজ‌নে টেলিফোনে জননেতা হানিফকে সব সময় পাওয়া যায়। নেত্রীর নি‌র্দেশে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে তিনি সবসময় সহযোগিতা করেন। আর এটাই তাঁর জন্য প্লাস পয়েন্ট। রাজনৈতিক বিতর্কের ক্ষেত্রেও তিনি মার্জিত এবং যুক্তিসঙ্গত কথা বলার কারণেও সকল মহ‌লের কা‌ছে প্রশংসিত ও গ্রহণ‌যোগ‌্য।

তাঁর আরেকটা বড় গুণ তিনি দ‌লের ম‌ধ্যে কোনো কোটারী করেন না, ভাইলীগ বা মাইম্যান তৈরির চেষ্টা করেন না। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ ক‌রে সারা দে‌শে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা ও শ্রদ্ধাশীল নিষ্ঠাবান কর্মী তৈরি করে চ‌লে‌ছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে সংগঠনকে সুসংগঠিত এবং শক্তিশালী করার জন্য রাত‌দিন কাজ করে যাচ্ছেন।

রাজনীতিতে মাহবুবউল আলম হানিফ গত এক যুগ ধ‌রে যেভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, তাতে দলের সাধারণ সম্পাদক পদের অন্যতম দাবিদার তিনি হ‌তেই পা‌রেন। আওয়ামী লীগের এবারের কাউন্সিল নানা কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে যিনি নির্বাচিত হবেন, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাঁর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনী‌তিসহ অনেক বিষয়ে দক্ষ হ‌তে হ‌বে। পাশাপাশি জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কমিটেড, কর্মীদের প্রতি যত্নশীল, সাহসী এবং দৃঢ় নেতৃ‌ত্বের অ‌ধিকারী হ‌তে হ‌বে; যিনি সংগঠনকে বিক্রি করবেন না, মনোনয়ন বাণিজ্য করবেন না, কোনো ‌অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত নন। এই বিষয়গুলো বিবেচনায় নিলে দলে মাহবুবউল আলম হানিফের কোনো বিকল্প নেই। তিনি একজন নিষ্ঠাবান, পরিশ্রমী ও গুছানো রাজনীতিবিদ হিসেবে ইতোমধ্যেই স্বীকৃত।