Home কুষ্টিয়া কুষ্টিয়ায় গলা কাটা হত্যা মামলায় দুজনের আমৃত্যু, একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

কুষ্টিয়ায় গলা কাটা হত্যা মামলায় দুজনের আমৃত্যু, একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

695

কুষ্টিয়ায় গলা কাটা হত্যা মামলায় দুজনের আমৃত্যু, একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় নজরুল ইসলামকে গলা কেটে হত্যার দায়ে দুজনকে আমৃত্যু ও একজনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

৪ সেপ্টেম্বর রোববার দুপুরে কুষ্টিয়া অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এ মামলায় আজিম সর্দারকে খালাস দিয়েছেন আদালত।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী।

রাজবাড়ী সদর উপজেলার ধুনচি গ্রামের মৃত ফয়েজ শেখের ছেলে মজিবর শেখ (৩৭) ও কুষ্টিয়া শহরের মিলপাড়া এলাকার তোফাজ্জেল আলীর ছেলে ফজলু (৩৫) এদেরকে আমৃত্যু কারাদণ্ড আদেশ দিয়েছেন আদালত।এছাড়াও এ মামলায় খুশি বেগমকে (৪৬) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার পরপরই তাকে পুলিশ পাহারায় কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফজলু ও মজিবর পলাতক রয়েছেন।রায় ঘোষণার সময় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি খুশি বেগম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এজহার ও আদালত সূত্রে জানা যায় ২০১৩ সালের ১৬ জুলাই সকালে মোটরসাইকেলচালক নজরুল ইসলাম ভাড়ায় যাত্রী বহনের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। সেদিন বিকেল থেকে তিনি নিখোঁজ হন। পরের দিন ১৭ জুলাই দুপুর ১টার দিকে খোকসা উপজেলার উত্তর শ্যামপুর গ্রামের মাঠে পাটক্ষেতের মধ্যে মাথাবিহীন নজরুলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই বছরের ১৮ জুলাই নিহতের বড়ভাই বিল্লাল শেখ বাদী হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে খোকসা থানায় মামলা করেন।

মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ৪ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ৩০ জুন আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।নির্ধারিত ধার্য তারিখে আদালতের বিচারক মামলার আসামিদের সাজার আদেশ দেন।

মোটরসাইকেল চালক নজরুল ইসলামকে হত্যা মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় দুজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এ মামলার অপর আসামি আজিমকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী বলেছেন।