Home আন্তর্জাতিক জালে উঠল প্রকাণ্ড এক মাছ, রাতারাতি কোটিপতি জেলে

জালে উঠল প্রকাণ্ড এক মাছ, রাতারাতি কোটিপতি জেলে

11

জালে উঠল প্রকাণ্ড এক মাছ, রাতারাতি কোটিপতি জেলে

প্রতিদিনের মতো সে দিনও জাল ফেলেছিলেন সমুদ্রে। কিন্তু মাছ ধরতে গিয়ে এমন ভাবে জীবন বদলে যাবে, তা ভাবেননি করাচির বাসিন্দা হাজি বালোচ।

লটারি কাটেননি, সাত রাজার ধন মানিকও খুঁজে পাননি। তবু রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গেলেন করাচির বাসিন্দা মাছ বিক্রেতা হাজি বালোচ। করাচির ইব্রাহিম হায়দারি গ্রামে হাজির নিবাস। মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করে সংসার চালাতেন তিনি। মাছ ধরা যে শুধু যে তাঁর পেশা ছিল তা নয়, এটা তাঁর নেশাও। সেই মাছই যে জীবন বদলে দেবে, স্বপ্নেও ভাবেননি তিনি।

রোজের মতো সে দিনও ভোরে কাঁধে জাল ফেলে সুমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন হাজি। অন্য দিন সঙ্গে বাকি ধীবরেরা থাকলেও, সে দিন তিনি একা ছিলেন। জাল ফেলে কিছু ক্ষণ অপেক্ষার করার পর টান দেন। কিন্তু অন্য দিনের মতো জল থেকে জাল তুলতে বেশ বেগ পেতে হয় হাজিকে।

নৌকায় জাল তুলতেই চমকে ওঠেন হাজি। ছোট ছোট মাছের ভিড়ে দু’হাত সমান একটা গোল্ডেন ফিশ। যার দাম প্রায় কোটি টাকার কাছাকাছি। তত ক্ষণ অন্য নৌকা নিয়ে বাকি জেলেরাও বেরিয়ে মাছ ধরতে এসেছেন। হাজির হাঁকডাক শুনে তাঁরাও চলে আসেন।

গোল্ডেন ফিশ-এর অন্য নাম ‘সোয়া’। চিকিৎসা ক্ষেত্রে এই মাছের চাহিদা আকাশছোঁয়া। সোয়া মাছের তেল, আঁশ অনেক কঠিন রোগের ওষুধ তৈরিতে কাজে লাগে। সে কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে এই মাছের চাহিদা এত বেশি।

মাছটির ওজন প্রায় ৩০-৪০ কেজি। সমুদ্রে থেকে এমন বহুমূল্যের মাছ ধরা পড়তেই হইচই পড়ে যায়। খবর চলে যায় বিভিন্ন প্রান্তে। অনেকেই মাছটি কেনার জন্য ছুটে আসেন। মাছ কেনার এত ক্রেতা দেখে নিলাম ডাকা হয়। সেখানেই ৭ কোটি টাকা দিয়ে এক ব্যবসায়ী হাজির কাছ থেকে মাছটি কিনে নেন।

এক রাতে সাত কোটি টাকার মালিক হয়ে কি খানিকটা ভ্যাবাচাকা খেয়ে গিয়েছেন তিনি। এমন যে হতে পারে, তিনি তা কল্পনাও করেননি কখনও। মাছটি তিনি একা ধরলেও, নৌকা, জাল কেনার জন্য বাকি জেলে বন্ধুদেরও এখান থেকে টাকা দেবেন বলে জানিয়েছেন। সূত্র আনন্দবাজার