Home বাংলাদেশ দুই পুলিশ সদস্য হত্যা: বিস্ফোরক মামলায় বন্দুক যুদ্ধে নিহত তিন আসামি সহ...

দুই পুলিশ সদস্য হত্যা: বিস্ফোরক মামলায় বন্দুক যুদ্ধে নিহত তিন আসামি সহ ৮ আসামিই খালাস

203

দুই পুলিশ সদস্য হত্যা: বিস্ফোরক মামলায় বন্দুক যুদ্ধে নিহত তিন আসামি সহ ৮ আসামিই খালাস

সাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হওয়া ও সাক্ষ্য অপ্রতুল হওয়ায় খুলনায় দুই পুলিশ কনস্টেবল হত্যার ঘটনায় বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৮ আসামিকে খালাস দিয়েছে আদালত। এই মামলায় মোট নয় আসামির এক জনের স্বাভাবিক মৃত্যু হওয়ায় আট জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহমুদা খাতুন এ রায় দেন। এ সময় আদালতে আট আসামির মধ্যে চারজন উপস্থিত ছিলেন। শাহাদাৎ হোসেন রাজু, আসাদুজ্জামান টিপু, রফিকুল ইসলাম রফিক আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আব্দুল রশিদ মালিতা তপন, মাশিকুল ইসলাম মফিজ ও শরিফুজ্জামান সুমন তিন আসামি বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়।এক আসামি পলাতক রয়েছে নাম একরাম হোসেন।

অপর এক আসামি রিয়াজুল হক মাসুদ মারা গেছেন। রায় ঘোষণা শেষে আদালতে উপস্থিত চার খালাস প্রাপ্ত আসামি বিজয় উল্লাস করে বের হন। এ সময় একজনকে দুই আঙ্গুল উঁচু করে বিজয় দেখাতেও দেখা যায়।

আদালতে সাক্ষীদের উপস্থিত না হওয়া ও সাক্ষ্য অপ্রতুল থাকায় দুই পুলিশ কনস্টেবল হত্যা ও এক পুলিশ কনস্টেবলের পঙ্গুত্ব কারণে বিস্ফোরক মামলার আট আসামিকে খালাস দিয়েছে আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ এই রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাবার পর উচ্চ আদালতে আবেদন করবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই ঘটনায় হত্যা মামলায় সব আসামি খালাস হয়েছে বলেও জানান মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইকবাল হোসেন।

২০০৩ সালের ৩ মার্চ নগরীর পাওয়ার হাউস মোড়ে সন্ত্রাসীদের বোমা হামলায় আহত হন তিন পুলিশ সদস্য শরীফুল, রমেশচন্দ্র, ও মনিরুজ্জামান। এতে পুলিশ সদস্য মনিরুজ্জামান এর পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অপর দুই পুলিশ সদস্য শরীফুল ও রমেশচন্দ্র নিহত হন। এ সময় সন্ত্রাসীরা রমেশ চন্দ্র এর শটগান ও ৭ রাউন্ড গুলি নিয়ে পালিয়ে যায়।

২০০৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর এস আই অরবিন্দু বিশ্বাস বিস্ফোরক আইনের মামলায় ১০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।এ ঘটনায় সোনাডাঙ্গা থানার এস আই আশরাফুল ইসলাম বাদী হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি পৃথক মালা করে।