Home কুষ্টিয়া দৌলতপুরে জমি কিনে প্রতারণা স্বীকার প্রতিবন্ধী পরিবার 

দৌলতপুরে জমি কিনে প্রতারণা স্বীকার প্রতিবন্ধী পরিবার 

87

দৌলতপুরে জমি কিনে প্রতারণা স্বীকার প্রতিবন্ধী পরিবার

আছানুল হক কুষ্টিয়া দৌলতপুর

কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার হোগলবাড়ীয়া ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে মাহাবুল হক জমি কিনে প্রতারণার স্বীকার হয়ে দারেদারে ঘুরছেন বলে জানান এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী, আক্কাস আলী ও লিয়াকত আলী সহ আর অনেকে বলেন, আজ প্রায় ২০ বছর যাবত মাহাবুল হক তার নিজ বাড়ির পিছনের মাঠে ৬ কাঠা জমি ক্রয় সূত্রে দখল করে আবাদ করে আসছে। জমি টি একই এলাকার আনোয়ার হোসেন( শরিফুল) ও আব্দুল কুদ্দুস (আদম আলীর) নিকট থেকে কিনেছে বলে আমরা জানি। মাহাবুল হক এর দুই ছেলে মেয়ে তারা দুই জনে অন্ধ মাহাবুল হক ভিক্ষা করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করেন। হঠাৎ ২০ বছর পরে আজ শুনছি জমি শরিফুল ও আদম আলীর হয়ে আছে। দাগ ভুল ভাবে রেজিষ্ট্রেরী হয়ছে সেই সময় । আমাদের দাবি অসহায় পরিবারের সাথে প্রতারণা না করে তাদের ন্যায্য টাকা দিয়ে ক্রয় করা জমি ফেরত দেওয়া হোক।

এ বিষয়ে মাহাবুল হক বলেন, ২০০৩ সালে তাজপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন (শরিফুল) ও আব্দুল কুদ্দুস (আদম আলীর) আমার বাড়ির পিছনে পূবের মাঠে জমি দেখিয়ে জমির দামদর করে। দামদর শেষে টাকা নিয়ে তাজপুর মৌজার পূরের মাঠে আমি যে জমি দখল করে আছি সেই জমি রেজিষ্ট্রেরী দেয়। আজ কয়েক দিন আগে শরিফুল ও আদম আমার দখলি জমিতে জোর করে চাষ দিচ্ছে। এবং আমাকে বলছে আমি যে মাঠে জমি পাবো সেই মাঠে যেন দখল নেই । পরে দেখি আমার সাথে প্রতারণা করে তাজপুর মৌজার ১০৫ নং দাগে প্রায় ১০ শতক রেজিস্ট্রেরী দিয়েছে আমি সেই মাঠে দখল নিতে গেলে বর্তমানে ঐ জমি দখল করে থাকা ব্যক্তি নবির উদ্দিন বলছেন এই জমি আমি শরিফুল ও আদম আলীর কাছে থেকে কিনেছি। জমি টাকা দিয়ে কিনার পরে ও এভাবে আমাদের দারে দারে ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে। আমি একজন অসহায় মানুষ, আমার দুইটি ছেলে মেয়ে অন্ধ। তাদের নিয়ে আমি ভিক্ষা করে খায়। আমি এই প্রতারণা থেকে বাঁচতে আইনের সহযোগিতা চাই।

এ বিষয়ে নবির উদ্দিন বলেন, যে জমিটা নিয়ে কথা উঠতেছে সেই জমিটা আমি রেকর্ড মূলে ক্রয় সূত্রে দখল করে আবাদ করে আসছি এখানে আমার কোন সমস্যা নাই।

এ বিষয়ে আনোয়ার হোসেন শরিফুল বলেন, হে আমি এবং আমার ভাই মহাবুল হক এর কাছে প্রায় ২০ বছর আগে প্রায় ১০ শতক জমি বিক্রয় করি। কিন্তু তখন দাগ সম্পর্কে বুঝতাম না তাই মাহাবুল হক এর বাড়ির পিছনে জমি দখল দিয়েছিলাম। তবে সে আমাদের কাছে থেকে জমি পাবে সে ক্রয় করেছে । যেখানে ক্রয় করেছে সেখানে নিক আমাদের সমস্যা নাই। কিন্তু যে দাগে মহাবুলের কাছে জমি বিক্রয় করেছেন সেই জমি আবার পরে অন্য ব্যক্তির কাছে বেচলেন কি করে এমন প্রশ্নের উত্তর দেন নাই আনোয়ার হোসেন( শরিফুল) ।

এ দিকে এলাকাবাসী দাবি ন্যায্য বিচারের মাধ্যমে জমি ফিরে পাক অসহায় পরিবারটি।