Home কুষ্টিয়া দৌলতপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর নামে মামলা, সুবিচার চাই গ্রামবাসী

দৌলতপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর নামে মামলা, সুবিচার চাই গ্রামবাসী

12

দৌলতপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর নামে মামলা, সুবিচার চাই গ্রামবাসী

কুষ্টিয়া দৌলতপুর

কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের গরুড়া দাইড় পাড়া গ্রামের গ্রামবাসীর নামে মিথ্যা তথ্য দিয়ে হয়রানি মূলক মামলার অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে আদাবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আহসান হাবীব দিলিপ বলেন, খেলাফত মালিথার ছেলে চা দোকানি আব্দুল কুদ্দুসের সাথে প্রতিবেশী মৃত শমসের আলীর ছেলে মুখলেছুর রহমানের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। পরে মুখলেছুর রহমান এর স্ত্রী বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় একটি অভিযোগ করে। গত ৫/ ৩/ ২০২৩ ইংরেজি তারিখে দৌলতপুর থানা পুলিশের এস আই আশরাফুল ইসলাম অভিযোগ তদন্ত আসেন। থানা পুলিশের ডাকে ঘটনা সততা যাচাইয়ের জন্য সে সময় এলাকাবাসীর যে যে ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন তাদের সকলের নামে ৬/৩/২০২৩ ইংরেজি তারিখে কুষ্টিয়া বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মকলেছুর রহমান বাদী হয়ে ১০৭/১১৭ ধারায় নালিশ দরখাস্ত করেছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আমরা আদালতের কাছে সুবিচার চাই। আমি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি, আমার নামটাও বাদ দেয় নাই মামলা থেকে।

এ বিষয়ে চা দোকানীর নামে করা অভিযোগের মকলেছুর রহমানের পক্ষের সাক্ষী একলাসের স্ত্রী রুপালি বলেন, আমি ঘোনা পাড়ার দিকে থেকে বাড়িতে আসছিলাম, আসতেই দেখি চা দোকানী কুদ্দুসের সাথে মকলেছুর রহমান এর কথা কাটাকাটি হচ্ছে। এমত অবস্থায় আমি ঐ খানে দাড়ায় তখন মকলেছুর রহমান ও তার স্ত্রী, কুদ্দুস কে মারপিট করে আমি বাঁধা প্রদান করি। পরে অনেক মানুষ এসে বাঁধা প্রদান করে। পরে ঘটনা স্থান থেকে আমি চলে আছি। পরে গত ৫/৩/২০২৩ ইংরেজি তারিখে পুলিশ এসে আমাকে বলেন কুদ্দুস ও মুকলেছুর রহমানের মারামারি সম্পর্কে আপনি কি জানেন। আমি সত্য ঘটনা তুলে ধরলে মুখলেছুর রহমানের বিপক্ষে যায় । তার কারনে সে আমাকে ও গ্রামবাসীর সাথে আসামী করেছে। আমরা এই ঘটনার তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে মুখলেছুর রহমান ও তার স্ত্রী র সাথে কথা বলতে গেলে তারা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান, বলেন আমরা ক্যামেরার সামনে কোন কথা বলবো না।

দৌলতপুর থানার এস আই আশরাফুল ইসলাম বলেন, মুখলেছুর রহমান থানা একটি লিখিত অভিযোগ করেন। গত ৫/৩/২০২৩ ইংরেজি তারিখে অভিযোগ তদন্তে গিয়ে অভিযোগের সততা না পেলে। অফিসার ইনচার্জ স্যারকে অবহিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।