Home কুষ্টিয়া দৌলতপুরে পল্লী চিকিৎসক চিকিৎসা দিতে গিয়ে কানের পর্দা ফাটালেন রুগীর

দৌলতপুরে পল্লী চিকিৎসক চিকিৎসা দিতে গিয়ে কানের পর্দা ফাটালেন রুগীর

9

দৌলতপুরে পল্লী চিকিৎসক চিকিৎসা দিতে গিয়ে কানের পর্দা ফাটালেন রুগীর

নিজস্ব প্রতিনিধি: আছানুল হক কুষ্টিয়া দৌলতপুর

কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের গড়ুরা মিস্ত্রিপাড়ার মহাসিন আলীর ছেলে পল্লী চিকিৎসক জুয়েল রানার বিরুদ্ধে গড়ুরা মিস্ত্রি পাড়া গ্রামের আমানত আলীর স্ত্রী নুর বানু খাতুন নামের এক কানের রুগীর চিকিৎসা দিতে গিয়ে কানের পর্দা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী নুর বানু খাতুন কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

এ বিষয় ভুক্তভোগী গড়ুরা মিস্ত্রি পাড়া গ্রামের আমানত আলীর স্ত্রী নুর বানু খাতুন বলেন, গত ১৯ তারিখ দুপুরে মাথাভাঙা নদীতে গোসল করতে গিয়ে আমার ডান কানের ভিতরে পানি ডুকে যায়। পরে পল্লী চিকিৎসক জুয়েল রানার কাছে গেলে সে কিছু বুঝে উঠার আগেই আমার কানের ভিতরে লোহা জাতীয় একটি কি ঢুকিয়ে দেয় সাথে সাথে আমার কানের ভেতর থেকে রক্ত চলে আসে। তার পরে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর ছেলে, হাবুল হোসেন বলেন, জুয়েল রানা কোন ডাক্তার না। আমার মা একজন বয়স্ক মানুষ সে না বুঝে তার কাছে গেছে। কিন্তু সে আমার মায়ের কানের ভিতরের পর্দাটা নষ্ট করে দিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে বিচার চাই এই রেজিস্ট্রেশন বিহীন ভুয়া ডাক্তারের।

এ বিষয়ে জানতে পল্লী চিকিৎসক জুয়েল রানর ফার্মেসিতে গেলে, তালা বদ্ধ পাওয়া যায় ফার্মেসি। মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে জুয়েল রানা বলেন তার কোন ডাক্তারি করার মত কোন কাগজ পত্র নাই। গ্রামের মানুষ আসেন তাই চিকিৎসা দেন তিনি। তবে তার ড্রাগ লাইসেন্স আছে বলে দাবি করেন তিনি।

এদিকে জুয়েল রানার ধরনের কাজের কারণে ক্ষুদ্র এলাকাবাসী। এলাকাবাসী ও জুয়েল রানার আত্মীয়-স্বজনেরাই জানেন না তার লেখাপড়া যোগ্যতা কতদূর।