Home কুষ্টিয়া ধরা ছোঁয়ার বাহিরে থাকা অস্ত্র ব্যবসায়ী টুটুল নাশকতা মামলার আটক

ধরা ছোঁয়ার বাহিরে থাকা অস্ত্র ব্যবসায়ী টুটুল নাশকতা মামলার আটক

221

দৌলতপুর প্রতিনিধি,কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের গবড়গাড়া গ্রামে মৃত কেরু মোল্লার ছেলে ৫ টি নাশতার ও একটি মাদক মামলার আসামী দৌলতপুর তথা একদা অঞ্চলের মাদক ও অস্ত্র সরবরাহকারী টুটুল (৩২) নাশকতা মামলায় গত বুধবার আটক হয়েছে।

এ বিষয়ে নাম পরিচয় গোপন রাখার শর্তে এলাকাবাসী জানান, টুটুল দীর্ঘদিন যাবত বি এন পির রাজনৈতিক নেতার ছত্রছায়ায় থেকে মাদক ও অস্ত্রের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এই ব্যবসাটি বিএনপি’র এক শীর্ষস্থানীয় নেতার অর্থে পরিচালিত হয় বলে আমাদের জানা আছে। বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা সাথে সম্পৃক্ত থাকাতে আমরা কেউ ভয় মুখ খুলতে পারে না। এমন কি বর্তমান সময়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মী তাকে সাপোর্ট করে। তার বাড়িতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোন অভিযানে আসলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চার্জ করা হয় যে কেন এসেছেন। কিছুদিন আগে তার মুদি দোকানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন শতশত মোটরসাইকেল যোগে বিভিন্ন ব্যক্তি আসতো। পরে আমরা বুঝতে পারি তারা শুধু ফেনসিডিল গ্রহণের জন্য সেখানে আসে। কিন্তু তার ব্যবসার কৌশলটা ছিল ভিন্ন সে মুদি দোকানের বসে টাকা গ্রহণ করত এবং অন্যদের দিয়ে মাল সাপ্লাই করা তো। বিষয়টি এলাকার মানুষের নজরে আসার পরে কিছুদিন যাবত দোকান থেকে সরাসরি মাদক খুচরা বিক্রি বন্ধ আছে। কিন্তু বড় মাপের পাইকারি বিক্রয় বন্ধ নেই তার।

এদিকে তার ব্যবসায়িক পার্টনার একই এলাকার ( প্রতিবেদনের স্বার্থে ছদ্মনাম ব্যবহার করা হই) করিম বলেন, আপনাদের কাছে যে তথ্য আছে সেটা ভুল তথ্য টুটুল মূলত মাদক ব্যবসায়ী না মাদক তার ছোট ব্যবসা, সে মূলত অস্ত্র ব্যবসায়ী আমি তার ব্যবসার লেবার টুটুলের হাত দিয়ে সম্প্রতি সময়ে দৌলতপুর তথা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্ত্র সরবরাহ হয়েছে। প্রতিবেদককে তথ্যদানকারী বলেন এ ব্যাপারে নিউজ করা বা তথ্য সংগ্রহ করা আপনার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কারন এই ব্যবসাটি একটি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীয় জড়িত আছে। তাছাড়া সে বড় মাপের হুন্ডি ব্যবসায়ী তার বিকাশ ব্যবসার আদলে হুন্ডি ব্যবসা পরিচালিত হয। এই এলাকার মাদক ব্যবসায়ী অস্ত্র ব্যবসায়ী সহ দৌলতপুর উপজেলার ও পার্শ্ববর্তী গাংনী উপজেলার প্রবাসীদের পাঠানো টাকা টুটুলের হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন হয়।

নাম পরিচয় গোপন রাখা শর্তে, আলাপ চালিতাই একজন ডাকাত বলেন, আমরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বড় বড় চুরি, ডাকাতি গুলো সংঘটিত করে থাকি। বড় চুরির জন্য ভারি অস্ত্রের প্রোয়জন পড়ে আপনারা গরিব মানুষ এই অস্ত্র পান কোথায় এমন প্রশ্নের উত্তরে ডাকাত বলেন, অস্ত্র প্রোয়জন মত আমরা ভাড়ায় নেই। কার কাছে ভাড়ায় নেই সে কথা সহজে প্রতিবেদকে বলতে চাইনা ডাকাত। সব কিছু গোপন রাখার শর্তে এক পর্যায়ে ডাকাত বলেন, ডি জি এম এর টুটুলের কাছে থেকে নেই।প্রতি রাত এক হাজার টাকা ভাড়া চুক্তিতে। কিন্তু সে খুব চালাক তার বাড়ি বা কাছে কোন দিন অস্ত্র পাবেন না। মাঠে বাগানে অস্ত্র পুতে রাখে। এবং অত্যন্ত বিশ্বস্ত লোক ছাড়া ভাড়ায় ও দেন না। এবং তার বিরুদ্ধে সহজে কাউকে মুখ খোলাতে পারবেন ও না কারন, যে যেমন ব্যক্তি তাকে ঠিক তেমন জিনিস দিয়ে ম্যানেজ করা আছে তার। টুটুলের কোন সমস্যায় এমন এমন লোক ফোন দিবে যাতে আপনিও আশ্চর্য হবেন। কারন হিসেবে যতদুর শুনেছি এই সকল ব্যবসা থেকে আয়ের একটি অংশ সে সকলের মাঝে বন্টন করেন।

এলাকার সচেতন মানুষের দাবি এই ধরনের সন্ত্রাসীর লাগাম এখনি টেনে না ধরলে দেশ ও জাতি ভয়াবহ রুপ দেখবে।