Home জাতীয় পুলিশি অভিযান ও গণগ্রেপ্তারের অভিযোগ সত্য নয়, এমন কিছু হচ্ছে না’

পুলিশি অভিযান ও গণগ্রেপ্তারের অভিযোগ সত্য নয়, এমন কিছু হচ্ছে না’

73

পুলিশি অভিযান ও গণগ্রেপ্তারের অভিযোগ সত্য নয়, এমন কিছু হচ্ছে না’

বিরোধী দলের বিরুদ্ধে অভিযান নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ সরকার।

বিরোধী রাজনীতিবিদদের হয়রানির অভিযোগ ভিত্তিহীন। গণগ্রেপ্তার এবং পুলিশি অভিযানের অভিযোগ সত্য নয়, এমন কিছু হচ্ছে না।’স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন।

তারা অভিযোগ পেয়েছে যে কর্তৃপক্ষ এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থকরা ২০২৩ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে বিরোধী রাজনীতিবিদদের ওপর হামলা করছে এবং তাদের হয়রানি করছে।সোমবার প্রকাশিত হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

সরকারের পাশাপাশি দেশের ভাবমূর্তিক্ষুণ্ন করার জন্য এটা নিছক অপপ্রচার ছাড়া কিছুই নয়।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই দাবিকে স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন।

পুলিশের কিছু নিয়মিত দায়িত্ব পালন করতে হয় এবং কখনও কখনও তারা নাগরিকদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেয়।এইচআরডব্লিউর এই বিবৃতির প্রতিক্রিয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইউএনবিকে বলেছেন।

তিনি জানান বেশিরভাগই পুলিশের বিশেষ শাখা এই কাজ করে। কিছু লোক নিখোঁজ হওয়ার খবর পেলে, বিশেষ শাখার সদস্যরা সত্য জানতে তাদের পরিবারের কাছে যান। এটি তাদের রুটিন ওয়ার্ক, অন্যথায় নয়।’গণগ্রেপ্তার ও পুলিশি অভিযানের অভিযোগ বিএনপি ও জামায়াতের অপপ্রচার।’

বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের উচিত আইনের শাসনকে সম্মান করা এবং রাজনৈতিক বিরোধী সমর্থকদের সংগঠনের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার রক্ষা করা।নিউইয়র্ক-ডেটলাইন দিয়ে প্রকাশিত এই বিবৃতিতে এইচআরডব্লিউ বলেছে।

বলা হয়েছে আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণগ্রেপ্তার এবং বিরোধী দলের সদস্যদের বাড়িতে পুলিশি অভিযান চালানো সহিংসতা ও ভীতি প্রদর্শনের বিষয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বারবার বলেছেন, বাংলাদেশ একটি পরিপক্ক গণতন্ত্র যা নির্বাচন পরিচালনা করতে এবং ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তর করতে সক্ষম। কিন্তু এর আগের নির্বাচনগুলিতে সহিংসতা, বিরোধীদের ওপর আক্রমণ এবং ভোটারদের ভয় দেখানোর ঘটনা দেখা গেছে।বিবৃতিতে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ড. মীনাক্ষী গাঙ্গুলী বলেছেন।

তিনি আরও জানান রাজনৈতিক হামলা ও গ্রেপ্তারের সাম্প্রতিক ঘটনা আসন্ন সংসদ নির্বাচনের জন্য একটি অশুভ সুর তৈরি করেছে।’

২২ আগস্ট থেকে বিএনপি জ্বালানি ও পণ্যের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ধারাবাহিক বিক্ষোভ শুরু করে। তখন থেকে পুলিশ, বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং আওয়ামী লীগের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে চার জন মারা গেছে এবং শতাধিক আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।এ ধরনের সংঘর্ষের পর কর্তৃপক্ষ বিএনপি সমর্থকদের বিরুদ্ধে গণমামলা দিয়েছে। এটি বিএনপির একটি বিবৃতিকে প্রতিধ্বনিত করেছে যে তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে কমপক্ষে ২০ হাজার মামলা দায়ের করা হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রেই অজ্ঞাতনামা আসামি রয়েছে।বড় সংখ্যক ‘অজ্ঞাতনামাদের’ বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ বাংলাদেশে একটি সাধারণ অবমাননাকর অভ্যাস, যা পুলিশকে কার্যত যে কাউকে গ্রেপ্তারের জন্য ভয় দেখাতে, হুমকি দিতে এবং আটক ব্যক্তিদের বারবার গ্রেপ্তার করতে অনুমতি দেয়। এই মামলায় তারা অভিযুক্ত না হয়েও অনুরোধ করে জামিন পেতে ব্যর্থ হন।বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

মীনাক্ষী জানান, মার্কিন মানবাধিকার নিষেধাজ্ঞা এবং আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনের কারণে বাংলাদেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি আরও নিরীক্ষার মধ্যে রয়েছে।বাংলাদেশের কূটনীতিকদের উচিত প্রকাশ্যে এবং ব্যক্তিগতভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করা যে এই ধরনের দমন-পীড়ন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য হুমকিস্বরূপ