Home জাতীয় প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে কেউ গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে কেউ গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

12

প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে কেউ গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে কেউ গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের সুযোগ নেই, তবে গুজব ছড়াতে পারে। কেউ গুজব ছড়ালে যদি ধরা পড়ে, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বাড্ডা হাইস্কুল কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে রোববার (৩০ এপ্রিল) সকালে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, প্রশ্নপত্রে ভুল হলে মাশুল দিতে হবে প্রশ্নপত্র বিতরণকেন্দ্রিক দুয়েকটি ভুল হয়ে যায়। সেগুলো তো অনিচ্ছাকৃত। তবে গতবার অনিচ্ছাকৃতভাবে যে কয়েকটি জায়গায় বিতরণে ভুল হয়েছে তাদের কিন্তু কড়া মাশুল দিতে হয়েছে। তাই আশা করি, সব জায়গায় পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে যারা দায়িত্বে থাকেন তাদের যেন কোনোভাবে ভুল না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সচেতন থাকবেন।

অভিভাবকদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন শিক্ষার্থীরা যাতে সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পারে সেই লক্ষ্যে আমরা সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছি। অভিভাবকদের বলবো, সন্তানকে পরীক্ষাকেন্দ্রিক অনৈতিক কোনো কিছুতে উদ্বুদ্ধ করবেন না। শিক্ষার্থীকে মানসিকভাবে ভাল রাখুন, কোনো ধরনের চাপে রাখবেন না।

পরীক্ষার সময় এগিয়ে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, করোনার পর এবার যারা পরীক্ষা দিচ্ছে তারা সার্বিক প্রস্তুতির একটি সময় পেয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রিক সার্বিক বিষয়গুলো গতবছর আমরা আরেকটু এগিয়ে আনতে পারতাম কিন্তু সে সময়ে হঠাৎ বন্যার কারণে কিছুটা পিছিয়ে আসতে হয়েছে। গত বছরের থেকে এবার আমরা এগিয়ে এনেছি, সামনে বছর চেষ্টা করবো স্বাভাবিকের যত কাছাকাছি যেতে পারি।

এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ৩ হাজার ৮১০টি কেন্দ্র এবং ২৯ হাজার ৭৯৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষাকেন্দ্র ২ হাজার ২৪৪টি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১৭ হাজার ৭৮৬টি। এছাড়া মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনেও চলছে পরীক্ষা।

প্রসঙ্গত, রোববার সকাল ১০টা থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০ লাখ ৭২ হাজার ১৬৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র ১০ লাখ ২১ হাজার ১৯৭ এবং ১০ লাখ ৫০ হাজার৯৬৬ জন ছাত্রী।