Home বাংলাদেশ ভাসমান ছাগলের হাটে হাসিলের টাকা নিচ্ছে কারা?

ভাসমান ছাগলের হাটে হাসিলের টাকা নিচ্ছে কারা?

32

ভাসমান ছাগলের হাটে হাসিলের টাকা নিচ্ছে কারা?

শেষ দিনে পশু কেনাবেচায় তাই জমজমাট হাটগুলো রাত পোহালেই খুশির ঈদ তবে হাটের পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন অলিতে-গলিতে বসেছে ছাগলের ভাসমান হাট। এসব হাটের কোনো অনুমোদন না থাকলেও হাসিল আদায় করছেন স্থানীয় ছাত্র ও ছেলে-পেলেরা।

রাজধানীর বুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে দেখা যায় রোববার (১৬ জুন) পলাশী মোড় থেকে নীলক্ষেত মোড় পর্যন্ত ফুটপাতের ওপর ছাগল বিক্রি করছেন ব্যাপারীরা। ভাসমান এই হাটে বাঁধা দিচ্ছে লালবাগ থানা পুলিশ।

তাদের দাবি, নির্ধারিত হাটের বাইরে কোথাও পশু বিক্রি করা যাবে না। তাই নিয়মিত এ রাস্তায় টহল দিয়ে হাট সরিয়ে দেয়া হচ্ছে।

লালবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রাজীব বলেন,ব্যাপারীরা বারবার ফুটপাত ও রাস্তার ধারে ছাগল বিক্রির চেষ্টা করছেন। তবে সিটি করপোরেশন থেকে নির্দেশ রয়েছে নির্ধারিত স্থানের বাইরে হাট বসানো যাবে না। তাই ব্যাপারীদের বারবার সরিয়ে দেয়া হচ্ছে।

ব্যাপারীরা বলছেন, স্থানীয় কিছু ছেলে-পেলে এখানে ছাগল বিক্রির বিনিময়ে হাসিল আদায় করছে।

এদিকে ভাসমান এ হাটে হাসিল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।একই অভিযোগ ক্রেতাদেরও। আকরাম নামে এক ক্রেতা জানান, রাস্তার ধারে ছাগল কিনতে এসে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। এখানেও দিতে হচ্ছে হাসিলের টাকা। প্রতি ছাগলের দাম অনুযায়ী পাঁচ শতাংশ হারে হাসিল দিতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে হাসিলের টাকা আদায়কারীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে পরিচয় দেয়া মো. সোহেল জানান,আগে বুয়েট থেকে পলাশী পর্যন্ত ভাসমান এই ছাগলের হাটটি বসতো। কিন্তু এবার বসতে দেয়া হয়নি। তাই এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ইউনিয়ন কার্যালয় ও ক্লাব ঘর এলাকায় হাটটি বসানো হয়েছে। ছাগল বিক্রির পর প্রতিটি ছাগলে ক্রেতাদের থেকে ৫ শতাংশ হারে হাসিলে টাকা নেয়া হচ্ছে।

লালবাগ থানার এসআই রাজীব বলেন, বারবার বাঁধা দেয়ার পরও হাট বসাচ্ছে ব্যাপারীরা। তাদের সাহায্য করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্ররা। ছাত্র হওয়ায় এদের বিরুদ্ধে সরাসরি তেমন ব্যবস্থাও নেয়া যাচ্ছে না। আবার আমাদের দেখলে সটকে পড়ছে কেউ কেউ।

এর আগে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন থেকেই জানানো হয়েছিল, সড়কে গরু-ছাগল রাখা বা হাট বসানোর কোনো অনুমতি নেই। যদি কেউ বসায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।