Home বাংলাদেশ মধ্যরাতে শাওনের মরদেহ দাফন পুলিশি পাহারায়

মধ্যরাতে শাওনের মরদেহ দাফন পুলিশি পাহারায়

173

মধ্যরাতে শাওনের মরদেহ দাফন পুলিশি পাহারায়

পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে নিহত শাওনের মরদেহ পুলিশি পাহারায় দাফন করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জে।

দিনগত রাত দেড়টার দিকে বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) ফতুল্লার নবীনগর শাহওয়ার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজার নামাজ শেষে নবীনগর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শাওনের মরদেহ বাড়িতে আনা হয়। এ সময় স্বজনদের মধ্যে আহাজারি শুরু হয়। পরে প্রতিবেশীরা তাদের বুঝিয়ে শান্ত করেন।এর আগে দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে (ভিক্টোরিয়া) নিহতের বড় ভাই মিলন প্রধান এবং মামা মোতাহার হোসেনের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে নিহত শাওনকে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতারা নিজেদের দলের কর্মী বলে দাবি করেছে।

শাওন আমাদের এলাকার ছেলে এবং ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলীর ভাতিজা। তারা চার ভাইয়ের মধ্যে বড়জন অনেক আগেই মারা গেছে। আর তিন ভাই তাদের চাচা শওকত আলীর সঙ্গেই থাকেন এবং শাওন যুবলীগের রাজনীতি করেন। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর মাস্টার বলেছেন।

আমার স্বামী সাহেব আলী মারা যাওয়ার পর বড় ছেলেটাও অসুস্থ হয়ে মারা যায়। এরপর তিন ছেলে কাজ করে সংসার চালায়। শাওন কোনো রাজনীতি করতো না। বাড়ির কাছে শহিদুল্লাহর ওয়ার্কশপে কাজ করতো। সকালে কাজে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয় সে।’নিহত শাওনের মা ফরিদা বেগম বলেছেন।

ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর মাস্টারের নেতৃত্বে শাওনের হত্যার বিচার দাবিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। অপরদিকে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, শাওন যুবদলের রাজনীতি করতো। গতকাল সে মিছিলের সামনে ছিলো।

এ ছাড়া পুলিশের ১৫ জন এবং বিএনপির প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। বিএনপির আহত নেতাকর্মীদের মধ্যেই অনেকেই গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।