Home বাংলাদেশ ১০ দিনে লাম্পি স্কিনে ১২ গরুর মৃত্যু আলমডাঙ্গায়

১০ দিনে লাম্পি স্কিনে ১২ গরুর মৃত্যু আলমডাঙ্গায়

9

১০ দিনে লাম্পি স্কিনে ১২ গরুর মৃত্যু আলমডাঙ্গায়

দ্রুত ছড়াচ্ছে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় লাম্পি স্কিন রোগ। দুই-তিন মাসে এ রোগে দেড় শতাধিক গরুর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসা চলছে দেড় হাজারেরও বেশি। গত ১০ দিনে অন্তত ১২টি গরুর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহেল কাফি। প্রতিষেধক থাকা সত্ত্বেও অসচেতনতা এবং মশা-মাছির উপদ্রবে গরুর মৃত্যু হচ্ছে বলে দাবি তাঁর।

জানা গেছে, উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে চিৎলা, খাসকররা, ভাংবাড়িয়া ও খাদেমপুরে ১২টি গরু লাম্পি স্কিন রোগে মারা গেছে। এর মধ্যে চিৎলার রুইথনপুর গ্রামের আব্দুল গফুরের একটি, চিৎলার মোজাম্মেল হোসেনের একটি ও জাহান আলীর দুটি রয়েছে। খাসকররার আলী হোসেনের একটি ও সবুর উদ্দিনের একটি, ভাংবাড়িয়ার ভোগাইলবগাদি গ্রামের ইস্রাফিল মোল্লার দুটি, খাদেমপুরের রংপুর গ্রামের হারেজ আলীর দুটি, নাছিমা খাতুনের দুটি ও জয়নার আলীর একটি গরু মারা গেছে। এসব গরুর অধিকাংশই অল্প বয়সী।

কৃষক ও খামারিরা বলছেন, প্রতিষেধকের সংকটের কথাও জানান তারা। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, ল্যাম্পি স্কিন ভাইরাসজনিত রোগ। এটি মশা-মাছির মাধ্যমে ছড়ায়। কয়েক মাসে উপজেলার শত শত গরু লাম্পি স্কিনে আক্রান্ত হয়েছে। প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।আক্রান্ত পশুকে ভ্যাকসিন দিতে হবে। আশপাশের মশামাছির উপদ্রব কমানো এবং গোয়ালঘর ও গরু রাখার স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

শরীর ফুলে যাওয়ার পাশাপাশি তাপমাত্রা বেড়ে যায়। নাক-মুখ দিয়ে লালা ঝরে। খাবারের চাহিদা কমে যায়। কখনও কখনও দুই পায়ের মাঝে ও বুকে পানি জমে। এভাবে এক সময় গরু নিস্তেজ হয়ে মারা যায়।ল্যাম্পি স্কিনে আক্রান্ত গরুর শরীরে ছোট ছোট গোটা বের হয় জানিয়ে রুইথনপুর গ্রামের কৃষক মো. আব্দুল গফুর জানিয়েছেন।

উপজেলার প্রায় সব গ্রামেই লাম্পি স্কিনে আক্রান্ত গরু রয়েছে। এ সংখ্যা দেড় হাজারের বেশি।আক্রান্ত গরুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় প্রতিষেধক টিকা দেওয়ার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। কৃষক ও খামারিদের সচেতন করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ চলছে। গরু রাখার স্থান পরিষ্কার রাখা ও মশারি ব্যবহার করতে হবে বলে জানান প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহেল কাফি।