কুষ্টিয়য় অধিকাংশ পেট্রোল পাম্পে নেই জ্বালানি। হঠাৎ করেই সরবরাহ সংকটে বন্ধ হয়ে গেছে অনেক পাম্পের কার্যক্রম।
তবে দু-একটি পাম্পে সীমিত পরিসরে তেল পাওয়া যাচ্ছে। আর সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই সেখানে তৈরি হয়েছে দীর্ঘ লাইন।
সোমবার (২৩ মার্চ) কুষ্টিয়ায় বিভিন্ন পাম্প ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন যানবাহন ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকছে শুধু একটু জ্বালানির আশায়।
জেলায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে তীব্র জ্বালানি সংকট বিরাজ করছে। প্রতিদিন তেলের সন্ধানে এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ছুটছেন ক্রেতারা। কোথাও সীমিত পরিমাণ সরবরাহ এলেও দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তা পাচ্ছেন না অনেকে। ফলে অনেকেই ব্যর্থ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
কোথাও অল্প পরিমাণ সরবরাহ এলেও তা দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেক যানবাহন তেল নিতে পারছে না। এ নিয়ে কোথাও কোথাও উত্তেজনা ও বাকবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটছে।
অন্য দিকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের অভাব থাকলেও স্থানীয় হাট-বাজারে প্রকাশ্যেই অতিরিক্ত দামে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি হচ্ছে। এই বৈপরীত্যে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে কৃষক ও মোটরসাইকেল চালকরা।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,জেলার বিভিন্ন থানা,উপজেলা,ইউনিয়নের বাজারেগুলোতে পেট্রোলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। প্রতি লিটার ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত তেল বিক্রি হচ্ছে।
দৌলতপুরের খলিসাকুন্ডির এক মোটরসাইকেল চালক সাফায়েত জানান, আমাদের এলাকায় ২ পেট্রোল পাম্প আছে একটা বেশ কয়েকদিন যাবত বন্ধ আর অন্য যেটি আছে কাতলামারি পেট্রোল পাম্প সেখানে অল্প পরিমাণ সরবরাহ এলেও তা দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে অথচ আমাদের বাজারে বিক্রয় হচ্ছে প্রতি লিটার পেট্রোল ৩০০ টাকা করে।
খোলা বাজারে পেট্রোল কিনতে আসা গ্রাহক রাহিবুল হাসান মারুফ জানান, ঈদের ছুটিতে পরিবারকে সময় দিতেই খোলা বাজার থেকে বাড়তি দামে পেট্রোল নিতে হচ্ছে।
এদিকে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। কেউ জরুরি কাজে বের হয়ে পড়েছেন বিপাকে।জ্বালানি সংকট দ্রুত নিরসনের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।