কুষ্টিয়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে প্রাণনাশের হুমকির থানায় অভিযোগ
তিতাস আহম্মেদ
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের রাতুলপাড়া এলাকায় পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ করে তা অন্যের কাছে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বাধা দেওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, মারমুখী আচরণ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মো. মফিজ উদ্দিন শেখ বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রাতুলপাড়া গ্রামের মৃত ইয়াদ আলী শেখের নামে থাকা পৈতৃক জমি কৌশলে আমিন (সার্ভেয়ার) দ্বারা আর.এস রেকর্ড নিজেদের নামে করিয়ে নেন অভিযুক্তরা। পরবর্তীতে তারা ওই জমি অনত্র বিক্রি করে দেন। বর্তমানে জমিতে ক্রেতারা ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করলে ভুক্তভোগী মো. মফিজ উদ্দিন শেখ এর কারণ জানতে চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্তরা তাকে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে শুরু করে।এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখ সকাল ১১টার দিকে ভুক্তভোগী নিজের বসতবাড়িতে থাকা অবস্থায় অভিযুক্তদের কাছে তার পাওনা জমি বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। এ সময় অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বাঁশ ও লাঠিসোটা নিয়ে মারতে তেড়ে আসেন হুমকি দেন। এ ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় অভিযোগ করেন, একই এলাকার বাসিন্দা তারা হলেন
মো. জাদব শেখ (৬০), পিতা-চাঁদ আলী শেখ, জাফরুল শেখ (৪০), পিতা-খোকাই শেখ, আজব শেখ (৪২), মো. আসানুল (৩৫), উভয় পিতা-মো. জাদব শেখসহ ৩/৪ জনকে অজ্ঞাতনামা করা হয়েছে।
এ ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী মফিজ উদ্দিন শেখ পরিবার নিয়ে চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন এবং প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার ও আইনগত প্রতিকার দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে জাদব শেখের স্বজন রবিউল সাথে কথা বললে তিনি জানান, আপনারা কি জমির সমাধান দিতে পারবেন,আমরা এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি না।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার উক্ বিষয় তদন্তকারীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযোগের বিষয়ে তিনি সরেজমিন তদন্ত করেছি এবং দুই পক্ষের সঙ্গেই কথা বলেছেন। উভয় পক্ষ বিষয়টি মীমাংসা করতে প্রাথমিকভাবে সম্মতি দিলেও পরবর্তীতে আর থানায় উপস্থিত হননি।