কুষ্টিয়া পৌর এলাকার ৬ নং ওয়ার্ডবাসীর নয়নের মনি আমজাদ হোসেন বিদ্যুতের গণসংযোগে সাড়া, দিলেন উন্নয়নের ডেডলাইন
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: আসন্ন কুষ্টিয়া পৌরসভা নির্বাচনে ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আমজাদ হোসেন বিদ্যুতের প্রচারণা দিন দিন জোরদার হচ্ছে। স্থানীয়দের কাছে ৬ নং “ওয়ার্ডবাসীর নয়নের মনি” হিসেবে পরিচিত এই প্রার্থী বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে ভোটারদের কাছে নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরছেন।
প্রচার কার্যক্রমে তিনি “শান্তি, শৃঙ্খলা ও উন্নত ওয়ার্ড” গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, পরিষ্কার ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং মশা নিধন,রাস্তা-ড্রেন ও স্ট্রিট লাইটের উন্নয়ন, যুব সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং খেলাধুলার সুযোগ বৃদ্ধি।
কুষ্টিয়া পৌর এলাকার ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আমজাদ হোসেন বিদ্যুৎ বলেন, “আমি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। নির্বাচিত হওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে ওয়ার্ডের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধান কার্যক্রম শুরু করব। ৬ মাসের মধ্যে রাস্তা, ড্রেন ও লাইটের উন্নয়নের দৃশ্যমান কাজ শুরু হবে এবং ১ বছরের মধ্যে একটি পরিষ্কার ও নিরাপদ ওয়ার্ড গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করব।”
তিনি আরও জানান, পুরো মেয়াদ জুড়ে জনগণের পাশে থেকে সেবা প্রদানই হবে তার মূল লক্ষ্য।
তিনি জানান,তারুণ্যের শক্তিই পারে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে। আপনাদের দোয়া ও সমর্থনই আমার সবচেয়ে বড় প্রেরণা। আমি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের অধিকার আদায়ে কাজ করতে চাই।”
তিনি বলেন আমি নির্বাচিত হলে আমরা এলাকায় নিরাপদ ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করবো।তবে দুঃখের বিষয় আমার এলাকার বাসিন্দারা তেমন কোনও সুযোগ-সুবিধা পাননি। আমি নির্বাচিত হলে আমরা ওয়ার্ড উন্নয়ন করবো।’
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, একজন শিক্ষিত ও উদ্যমী তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে আমজাদ হোসেন বিদ্যুৎ নির্বাচিত হলে ৬নং ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোর সমাধান হবে ইনশাআল্লাহ এবং উন্নয়নের নতুন ধারা সূচিত হবে।
এর আগে তিনি,২০০৪ সালে পৌর নির্বাচনে কমিশনার হিসাবে ,ভোটের প্রচারনার শেষ দিন, মিছিল শেষে তৎকালীন সংসদ সদস্য জনাব বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন ও কুষ্টিয়া ০১আসনের জনপ্রিয় সংসদ সদস্য রেজা আহম্মেদ বাচ্চু মোল্লা উপস্থিত ছিলেন , তাঁদের সহ তৎকালীন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন, প্রিয়নেতা -কর্মীসহ বিদায় দেওয়ার পরপরই, সন্ত্রাসী হামলায় আহত হয়ে পিজি হাসপাতালে ভর্তি হন ফলাফল অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।