গাংনীতে ক'ক'টে'ল সদৃশ ব'স্তু উ'দ্ধার, বাড়ছে আ'ত'ঙ্ক
মেহেরপুর প্রতিনিধি: মেহেরপুরের গাংনীতে ককটেল সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করেছে গাংনী থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার চরগোয়াল গ্রামের মোঃ জাহিদুল ইসলামের(৩৫) বাড়ির সামনে থেকে বস্তুটি উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনায় জাহিদুল ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজন চরম আতঙ্কে রয়েছে।
জাহিদুল ইসলাম কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মাহাদিপুর গ্রামের মো: জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।জাহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মটমুড়া ইউনিয়নের চরগোয়াল গ্রামে তার নানা ভাদু মন্ডলের বাড়ি বসবাস করছেন।
স্থানীয়রা জানান , জাহিদুল ইসলামের বাড়ির সামনে লাল টেপ দিয়ে মোড়ানো ককটেল সাদৃশ্য বস্তুটি দেখতে পাই।কিন্তু বস্তুটির কাছে যেতে কেউ সাহস করেনি। বিষয়টি তাৎক্ষণিক পুলিশকে জানানো হয়।পুলিশ ককটেল সদৃশ বস্তুটি উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। তবে এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী জাহিদুল ইসলাম বলেন, ককটেল সাদৃশ্য বস্তুটি গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে কে বা কারা রেখে গেছে জানিনা।তবে এ ঘটনায় আমি এবং আমার পরিবারের লোকজন আতঙ্কে রয়েছি।প্রশাসনের কাছে অনুরোধ যারা এর সাথে জড়িত তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি করছি।
মটমুড়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ মাজহারুল ইসলাম জানান, উপজেলার চরগোয়াল গ্রামের জাহিদুল ইসলামের বাড়ির লাল টেপ দিয়ে মোড়ানো ককটেল সাদৃশ্য বস্তু দেখতে পুলিশকে ফোন দেয়া হয়।পরে পুলিশ বস্তুটি উদ্ধার করে থানায় নেয়।ভয়ভীতি দেখানো ও এলাকার শান্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে এগুলো কেউ রেখে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, জাহিদুল ইসলামের বাড়ির সামনে ককটেল সাদৃশ্য বস্তু রয়েছে এমন সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনা স্থলে পুলিশ যায়।সেখান থেকে একটি ককটেল সাদৃশ্য বস্ত উদ্ধার করে থানা নেওয়া হয়েছে। কে বা কারা কোন উদ্দেশ্যে রেখেছে তা উদঘাটনের চেষ্টা করছে পুলিশ।অপরাধী যেই হোক কোন ছাড় দেওয়া হবে না।এটা নিয়ে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।
উল্লেখ্য: গত ৩মে উপজেলার চরগোয়াল গ্রাম, ৬ মে উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া এবং ১৮ জুন উপজেলার জোড়পুকুরিয়া গ্রাম থেকে ককটেল সাদৃশ্য বস্তু ও চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ।