ফ্যাশনের দুনিয়ায় পুরোনো জিনিস নতুন হয়ে ফেরে, এটাই যেন নিয়ম। একসময় যে ধারা হারিয়ে যায়, কিছুদিন পর আবার তা নতুন রূপে আলোচনায় আসে। লো-রাইজ জিনস, ব্যালে ফ্ল্যাট বা ঢিলেঢালা ব্লেজার, এসবের পর এবার ফিরে এসেছে ব্যাঙ্গল ঘড়ি। ভিনটেজ নস্টালজিয়ার এই ধারায় সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে গুচির কাল্ট-প্রিয় ‘প্লে’ ওয়াচ।এক সময় এই ঘড়ি ছিল তরুণদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। কারণ এটি ছিল একটু আলাদা। ঘড়ির বেজেল বদলানো যেত, রং ছিল উজ্জ্বল, নকশায় ছিল খুবই আধুনিক ভাব। পরে গুচি এই মডেলটি বাজার থেকে তুলে নেয়। তখন থেকেই এটি হয়ে ওঠে সংগ্রাহকদের পছন্দের ভিনটেজ ঘড়ি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর দাম ও চাহিদা দুটোই বাড়তে থাকে।হারিয়ে গিয়েও জনপ্রিয়তা ধরে রাখা
দোকানে আর পাওয়া না গেলেও ব্যাঙ্গল ঘড়ি একেবারে হারিয়ে যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিনটেজ ফ্যাশনের আগ্রহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবার আলোচনায় আসে এই ঘড়ি। ইনস্টাগ্রাম ও পিন্টারেস্টে অনেকেই পুরোনো ছবি, স্টাইল আর সংগ্রহ শেয়ার করতে শুরু করেন। রিসেল বা পুরোনো পণ্যের বাজারে বাড়তে থাকে খোঁজখবর।তবে এবার ঘড়িটি শুধু পুরোনো স্মৃতির অংশ হয়ে থাকেনি। নতুন প্রজন্ম একে নতুনভাবে পরতে শুরু করেছে। হালকা স্লিপ ড্রেস, ঢিলেঢালা ব্লেজার কিংবা দুই হাজার দশকের শুরুর ফ্যাশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া হয়েছে ব্যাঙ্গল ঘড়িকে। এতে করে এটি পায় একেবারে নতুন পরিচয়।