ফ্যামিলি কার্ডের না'মে টা'কা আ'ত্ম'সা'ৎ করে বি'পা'কে এনসিপি নে'ত্রী
নেত্রকোনায় ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নাম করে টাকা আত্মসাতের দায়ে অভিযুক্ত সেই নেত্রীকে দল থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ ও সাময়িক অব্যাহতি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও দপ্তর সেল সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে নেত্রকোনা জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাদিয়া আক্তারকে সাময়িক অব্যাহতি ও কারণ দর্শাতে বলা হয়।চিঠিতে বলা হয়েছে, গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে তাকে নেত্রকোনা জেলা আহ্বায়ক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নোটিশে তার বিরুদ্ধে কেন সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে লিখিত আত্মপক্ষ সমর্থন, প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ ও ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।নোটিশ পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে সব তথ্য নিয়ে কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের কাছে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত ৮ সেপ্টেম্বর ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে সাদিয়া আক্তারকে আটক করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে নেত্রকোনা মডেল থানায় প্রতারণার মামলাও হয়েছে। তিনি বর্তমানে জামিনে মুক্ত রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার নেত্রকোনা জেলা এনসিপির সদস্যসচিব ফাহিম রহমান খান পাঠান সাময়িক অব্যাহতি ও কারণ দর্শানোর নোঠিশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন
তবে তিনি অভিযোগ করে বলেন, সাদিয়া আক্তারকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে স্থানীয় বিএনপির একটি মহল চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে যেহেতু অভিযোগ এসেছে, তাই সংগঠন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে এবং সে তার নোটিশের উত্তর দেবে।
নোটিশ পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে সব তথ্য নিয়ে কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের কাছে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত ৮ সেপ্টেম্বর ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে সাদিয়া আক্তারকে আটক করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে নেত্রকোনা মডেল থানায় প্রতারণার মামলাও হয়েছে। তিনি বর্তমানে জামিনে মুক্ত রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার নেত্রকোনা জেলা এনসিপির সদস্যসচিব ফাহিম রহমান খান পাঠান সাময়িক অব্যাহতি ও কারণ দর্শানোর নোঠিশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন
তবে তিনি অভিযোগ করে বলেন, সাদিয়া আক্তারকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে স্থানীয় বিএনপির একটি মহল চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে যেহেতু অভিযোগ এসেছে, তাই সংগঠন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে এবং সে তার নোটিশের উত্তর দেবে।