খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় বন মোরগ অবমুক্ত করা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। প্রথম দিন একটি দেশি মোরগ অবমুক্ত করে বন মোরগ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর, সমালোচনার মুখে দ্বিতীয় দফায় আবারও প্রকৃত একটি বন মোরগ অবমুক্ত করা হয়েছে।
জানা যায়, গত বুধবার জালিয়াপাড়া রেঞ্জ অফিসের সামনে থেকে একটি বন মোরগ আটক ও পরবর্তীতে সেটি অবমুক্ত করার খবর পাওয়া যায়। রেঞ্জ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম অবমুক্ত করার একটি ছবি স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের পাঠান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তা প্রকাশ করা হয়।
দেশি বনাম বন মোরগ বিতর্ক ছবিটি প্রকাশ্যে আসার পরপরই স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও নেটিজেনদের মধ্যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। অনেকেই দাবি করেন, ছবিতে যে মোরগটি দেখা যাচ্ছে তা আসলে কোনো বন্য প্রাণী নয়, বরং একটি সাধারণ পোষা দেশি মোরগ। বন বিভাগ কর্তৃক দেশি মোরগকে বন মোরগ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার এই চেষ্টা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক হাস্যরস ও সমালোচনার ঝড় ওঠে।
এই সমালোচনার মুখে ঘটনার একদিন পর বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পুনরায় একটি বন মোরগ অবমুক্ত করার আয়োজন করা হয়। গুইমারা নতুন উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে মোরগটি অবমুক্ত করা হয়। এ সময় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সশরীরে উপস্থিত ছিলেন এবং ছবি তোলা হয়।
মোরগ অবমুক্ত করার আয়োজন করা হয়। গুইমারা নতুন উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে মোরগটি অবমুক্ত করা হয়। এ সময় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সশরীরে উপস্থিত ছিলেন এবং ছবি তোলা হয়।
একই ঘটনা নিয়ে দুদিনে দুইবার অবমুক্তির এই মহড়া নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সচেতন মহলের প্রশ্ন, প্রথম দিনের মোরগটি যদি ভুলবশত অবমুক্ত করা হয়ে থাকে, তবে দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন নাটকীয়তা কেন করা হলো তা তদন্ত করে দেখা উচিত।