• শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শতভাগ কার্যকর হলেও কেন মশার ওষুধ প্রয়োগে মিলছে না সুফল কুষ্টিয়ায় সামাজিক দ্ব’ন্দ্বে পুরুষ শূ’ন্য বড়িয়া গ্ৰাম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা রুনা হ ত্যা র প্রধান আ”সা”মি গ্রে”ফ”তা”র  ফোনের পরিচয়ের সূত্রে দেখা করতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধ র্ষ ণের শি কার ৪ সন্তানের জননী,আ”ট”ক ১ জুলাই গ’ণ-অ’ভ্যুত্থান নিয়ে আরও বেশি বই লেখা উচিত: নাহিদ ইসলাম মোটরবাইক-গাড়িতে জ্বালানি তেল নেওয়ার সীমা বেঁধে দিল সরকার বন মোরগ খেয়ে দেশি মোরগ অবমুক্ত অ’ভিযোগ রেঞ্জ কর্মকর্তার বি’রু’দ্ধে  ই স রা ই লের হাইফা বন্দর এবং সেনা অবস্থানে মুহুর্মুহু ক্ষে প ণা স্ত্র হা ম লা ভাড়া বাসা থেকে নার্সের ঝু’ল’ন্ত লা”শ উ’দ্ধা’র  জ্বালানি সংকটের গুজব: রাজধানীর পাম্প গুলোতে তেল কেনার হিড়িক 

বন মোরগ খেয়ে দেশি মোরগ অবমুক্ত অ’ভিযোগ রেঞ্জ কর্মকর্তার বি’রু’দ্ধে 

notuntimes / ৪৯ Time View
Update : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় বন মোরগ অবমুক্ত করা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। প্রথম দিন একটি দেশি মোরগ অবমুক্ত করে বন মোরগ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর, সমালোচনার মুখে দ্বিতীয় দফায় আবারও প্রকৃত একটি বন মোরগ অবমুক্ত করা হয়েছে।

জানা যায়, গত বুধবার জালিয়াপাড়া রেঞ্জ অফিসের সামনে থেকে একটি বন মোরগ আটক ও পরবর্তীতে সেটি অবমুক্ত করার খবর পাওয়া যায়। রেঞ্জ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম অবমুক্ত করার একটি ছবি স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের পাঠান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তা প্রকাশ করা হয়।

দেশি বনাম বন মোরগ বিতর্ক ছবিটি প্রকাশ্যে আসার পরপরই স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও নেটিজেনদের মধ্যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। অনেকেই দাবি করেন, ছবিতে যে মোরগটি দেখা যাচ্ছে তা আসলে কোনো বন্য প্রাণী নয়, বরং একটি সাধারণ পোষা দেশি মোরগ। বন বিভাগ কর্তৃক দেশি মোরগকে বন মোরগ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার এই চেষ্টা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক হাস্যরস ও সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এই সমালোচনার মুখে ঘটনার একদিন পর বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পুনরায় একটি বন মোরগ অবমুক্ত করার আয়োজন করা হয়। গুইমারা নতুন উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে মোরগটি অবমুক্ত করা হয়। এ সময় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সশরীরে উপস্থিত ছিলেন এবং ছবি তোলা হয়।

মোরগ অবমুক্ত করার আয়োজন করা হয়। গুইমারা নতুন উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে মোরগটি অবমুক্ত করা হয়। এ সময় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সশরীরে উপস্থিত ছিলেন এবং ছবি তোলা হয়।

একই ঘটনা নিয়ে দুদিনে দুইবার অবমুক্তির এই মহড়া নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সচেতন মহলের প্রশ্ন, প্রথম দিনের মোরগটি যদি ভুলবশত অবমুক্ত করা হয়ে থাকে, তবে দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন নাটকীয়তা কেন করা হলো তা তদন্ত করে দেখা উচিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!