• শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
থানার ভে’তরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নে’তা’কে পে’টা’নোর ঘ’টনা’য় ২ না’রী পুলিশসহ ওসি প্র’ত্যা’হা’র  সীমান্তে বিজিবির স’ঙ্গে গ্রামবাসীর পা’হা’ড়া রামপালে বিএনপির নেতৃবৃন্দদের নামে মি’থ্যা মা’ম’লা প্র’ত্যাহারের দা’বি’তে বি’ক্ষো’ভ স্মা’রকলিপি প্র’দান রামপালে বিএনপির নেতৃবৃন্দদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বি’ক্ষো’ভ স্মা’র’ক’লিপি প্র’দা’ন দৌলতপুরে নি’খোঁ’জের ১০ দিনেও উদ্ধার হয়নি এক স’ন্তা’নের জননী পরিবারের সং’বা’দ স’ম্মে’লন  কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন শরীফ উদ্দিন জুয়েল  যুবদলের ১৫১ স’দস্যের পূ’র্ণা’ঙ্গ কমিটি ঘো’ষ’ণা  আ’ধি’পত্য বি’স্তা’র নিয়ে দু’পক্ষের র’ক্ত’ক্ষ’য়ী সং’ঘ’র্ষে আ”হ”ত অর্ধশতাধিক  মহাসড়কের পাশেই গড়ে উঠেছে ম’য়’লার ভা’গাড়,জ’নস্বা’স্থ্যের নি’রা’প’ত্তার নী’রব হু”ম’কি কুষ্টিয়ায় স্বা’মীর বি’রু’দ্ধে মা’দ’কে’র টাকার জন্য স্ত্রী’কে পি”টি”য়ে হ ত্যা র অভিযোগ

থানার ভে’তরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নে’তা’কে পে’টা’নোর ঘ’টনা’য় ২ না’রী পুলিশসহ ওসি প্র’ত্যা’হা’র 

notuntimes / ৩৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে পেটানোর ঘটনায় ২ নারী পুলিশসহ ওসি প্রত্যাহার 

রংপুর মহানগর পুলিশের থানার ভেতরে রাকিবুল ইসলাম রাকিব নামে সেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার ঘটনায় কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্তা কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমানসহ আরও দুইজনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় ৫ জনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

মারধরের শিকার রাকিবুল ইসলাম রাকিব জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের রংপুর সদর উপজেলার সদস্যসচিব।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঈদের আগে নগরীর সিও বাজার এলাকার এক প্রেমিক যুগল নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি) করা হয়েছিল। ওই যুগলকে উদ্ধারের পর বুধবার সন্ধ্যায় কোতোয়ালি থানায় আনা হয়। ওই যুগলের পরিবারের অনুরোধে বিষয়টি মীমাংসা করতে স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন নেতা থানায় যান। লাভলু নামে এক নেতার ডাকে থানায় যান রাকিবুল ইসলাম।

থানায় গিয়ে রাকিবুল ইসলাম দেখতে পান, এক পুলিশ সদস্য ওই যুগলকে মারধর করছেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানালে ওসি আজাদ রহমান ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে মারধর করেন। এতে তিনি রক্তাক্ত ও আহত হন।

রাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, উদ্ধার করা প্রেমিক যুগলকে থানার ভেতরে এক পুলিশ সদস্য মারধর করছিলেন। বিষয়টি দলের এক নেতাকে জানাতে পকেট থেকে তিনি ফোন বের করলে ওসি, এসআই ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য তার ওপর চড়াও হন। পরে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, মারধরের পর পুলিশ সদস্যরা তাকে জোর করে নিয়ে গিয়ে শরীরে লেগে থাকা রক্ত ধুয়ে দেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সামনে রক্তমাখা তুলা দেখান এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানের আঘাতের চিহ্ন দেখান।

এ সময় ওই প্রেমিক যুগলকেও চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, পুলিশ তাদেরকেও বেধড়ক মারধর করেছে।

এদিকে এ ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের লক্ষ্যে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) নরেশ চাকমাকে সভাপতি, ডিসি (ক্রাইম) মো. মাহফুজুর রহমান ও কোতোয়ালি জোনের এসি সুকুমার রায়কে সদস্য করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!