দেড় হাজার শিক্ষকের জাল সনদ চিহ্নিত হয়েছে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এসব শিক্ষককে শোকজ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। জাল সনদধারী শিক্ষকদের পেছনে ৩৭৫ কোটি টাকা খরচ হয়েছে, যা এসব শিক্ষকের কাছ থেকেই আবার আদায় করা হবে বলে জানিয়েছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিকসহ নানা অনিয়মের তদন্ত করে সংস্থাটি।
সাম্প্রতিক সময়ে জাল সনদের বিষয়ে তদন্ত করতে গিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দেড় হাজারের বেশি শিক্ষকের জাল সনদের প্রমাণ মিলেছে। এদের বেশিরভাগের বিপিএড, বিএড, গ্রন্থাগার ও অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জাল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক এ এম সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘চূড়ান্তকরণের প্রক্রিয়ায় এই সনদগুলো যাচাই করা হয়েছে। এতে বিপুল সংখ্যক জাল সনদ ধরা পড়েছে।’
পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর বলছে, এসব শিক্ষক গড়ে ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে চাকরি করছেন। এদের বেতন বাবদ দেওয়া হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা, যা এসব শিক্ষককে ফেরত দিতে হবে।
শিক্ষা গবেষকরা বলছেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে জাল সনদধারী বাকি শিক্ষকদেরও চিহ্নিত করতে হবে। আগামী দিনে যেন কেউ প্রতারণা করে শিক্ষক না হতে পারে সেটি নিশ্চিত করতে হবে।
জাল সনদের বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। আরও শতাধিক সনদ এরই মধ্যে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ৫০০ এর মতো সনদ চিহ্নিত করা হয়েছে যেগুলো অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া হয়েছে।