• শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ঝিনাইদহে ব’র্ণাঢ্য আ:য়ো’জ’নে নবগঙ্গা ফিটনেস একাডেমি’র প্রতিষ্ঠা বা’র্ষি’কী উ’দ’যাপ’ন ড্রাগন ফলের রাজধানী মহেশপুরে প্রতিদিন কো’টি টা’কার বেচাকেনা’ ন্যা’য্যমূল্য পেয়ে হাসি কৃষকের মুখে গাংনীতে শিক্ষার্থীদের প’চা ডিম দেওয়ার স’ত্যতা পে’য়েছে ত’দ’ন্ত ক’মি’টি সুপেয় পানির সং’ক’ট নি’র’সনে রামপালে ২১৫টি পানির ট্যাংকি বি’ত’রণ করেন প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলাম  বাসের ধা’ক্কা’য় প্রা”ণ গেল স্কুলছাত্রের  ভেড়ামারায় চিকিৎসা সহায়তা ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ শাপলা চত্বর হ’ত্যা’কা’ণ্ডে আ’সা’মি হচ্ছেন ইনু এ’আই দিয়ে তৈ’রি ভু’য়া প্র’বে’শপ’ত্র দিয়ে পরীক্ষায় অং’শ নে’য়া’র চে’ষ্টা, দুজনের শা’স্তি জুনে ৪৭ জন সাংবাদিক নি’র্যা’ত’ন ও হ’য়রা’নির শি’কা’র রা’জ’নৈতিক স’হিং’স’তা ও মবে খু’ন ৪০ জন গাংনীতে প’চা ডিম কা’ন্ডে উ’ল্টো শো’ক’জ খেলেন প্রধান শিক্ষক

ড্রাগন ফলের রাজধানী মহেশপুরে প্রতিদিন কো’টি টা’কার বেচাকেনা’ ন্যা’য্যমূল্য পেয়ে হাসি কৃষকের মুখে

notuntimes / ১৮ Time View
Update : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার গৌরীনাথপুর বাজার এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ ড্রাগন ফলের পাইকারি বিপণনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ‘ড্রাগন ফলের রাজধানী’ হিসেবে খ্যাত এই বাজারে মৌসুমজুড়ে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে জমজমাট কেনাবেচা। জেলার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকার কৃষকেরাও তাদের উৎপাদিত ড্রাগন ফল নিয়ে আসেন এখানে। বর্তমানে প্রতিদিন কয়েক কোটি টাকার ড্রাগন ফল বেচাকেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সরেজমিনে গৌরীনাথপুর বাজারে দেখা যায়, বাজারজুড়ে সারি সারি আড়তে লাল, গোলাপি ও হলুদ রঙের ড্রাগন ফলের স্তূপ। ভোর থেকেই কৃষকেরা ভ্যান, পিকআপ ও ট্রাকযোগে ফল নিয়ে বাজারে আসছেন। আড়তগুলোতে চলছে ফল বাছাই, ওজন করা, প্যাকেটজাত ও বিভিন্ন জেলায় পাঠানোর ব্যস্ততা। এরপর ট্রাকভর্তি ফল ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল ও রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, বর্তমানে বাজারে প্রায় ১০০টি আড়তে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার ড্রাগন ফল কেনাবেচা হয়। উন্নত মানের ফল এবং সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থার কারনে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা সরাসরি এখানে এসে ফল সংগ্রহ করেন। স্থানীয় কৃষক আব্দুল হক বলেন, আগে ড্রাগন ফল বিক্রির জন্য দূরের বাজারে যেতে হতো। এখন গৌরীনাথপুরেই বড় বাজার গড়ে ওঠায় পরিবহন খরচ কমেছে, পাশাপাশি ন্যায্যমূল্যও পাচ্ছি। আরেক কৃষক রবিউল ইসলাম বলেন, ড্রাগন চাষে খরচ তুলনামূলক কম, লাভও ভালো। বাজারে ক্রেতার অভাব নেই। তাই প্রতিবছরই বাগানের পরিধি বাড়াচ্ছি। আড়তদার সাইদুর রহমান বলেন, মৌসুমে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ ড্রাগন ফল বাজারে আসে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা এসে সরাসরি ফল কিনে নিয়ে যান। এতে কৃষক যেমন ভালো দাম পাচ্ছেন, তেমনি ব্যবসায়ীরাও লাভবান হচ্ছেন। পাইকারি ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম বলেন, গৌরীনাথপুরের ড্রাগন ফলের মান খুবই ভালো। তাই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতিদিন একাধিক ট্রাক ভর্তি ফল বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে। মহেশপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন সুলতানা বলেন, ড্রাগন ফলের নিরাপদ উৎপাদন নিশ্চিত করতে কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কোনো ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিকের অপব্যবহার যেন না হয়, সে বিষয়ে আমরা সার্বক্ষণিক নজরদারি করছি। পাশাপাশি গৌরীনাথপুর বাজারের সুষ্ঠু বিপণন ব্যবস্থা ও কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতেও কৃষি বিভাগ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কৃষকদের পরিশ্রম, উন্নত চাষাবাদ পদ্ধতি এবং শক্তিশালী বিপণন ব্যবস্থার সমন্বয়ে গৌরীনাথপুর আজ দেশের ড্রাগন ফলের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার লেনদেন এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!