• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দৌলতপুরে হোম ডে’লিভারিতে পৌঁছাচ্ছে মা’দ’ক, সী’মান্তজুড়ে স’ক্রিয় সি’ন্ডি’কেট  বালু ব্য’বসা নিয়ে সং’ঘ’র্ষের মা’ম’লা,বিএনপি নে’তা গ্রে’প্তা’র কর্ণফুলী টানেল মোড়ে দু’র্ঘট’না ‘মা তো প্রতিদিন সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরত, আজ কেন আ’সছে না’ কুষ্টিয়ায় আ’নন্দঘন আ’য়ো’জ’নে মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫ বছর পূ’র্তি উ’দযা’পন সিলেটে সারজিস আলমের গাড়িতে হা’ম’লা দুদকের শী’র্ষ প’দের জন্য সচিবালয়ে দৌ’ড়ঝাঁপ গাংনীতে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য বিভাগের অ’ভিযা’ন, একটি ব’ন্ধ ঘোষণা ইবি’র ঝাউদিয়া এলাকায় অ’স্ত্র কি’ন’তে এসে আ’ট’ক ২ হিউম‌্যান রাইটস জার্নালিস্ট নেটওয়ার্ক কু‌ষ্টিয়ার সভাপতি দেবাশীষ দত্ত,সাধারণ সম্পাদক আনিস মন্ডল হাসপাতালেই প্র’সূতিকে মা’রধ’র, ন’ব’জা’তক ছি’নি’য়ে নেওয়ার চে’ষ্টা

বালু ব্য’বসা নিয়ে সং’ঘ’র্ষের মা’ম’লা,বিএনপি নে’তা গ্রে’প্তা’র

notuntimes / ৩৫ Time View
Update : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬

ফেনীর ছাগলনাইয়ায় অবৈধ বালু ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার শাহজাহানপুর এলাকার হোটেল গ্র্যান্ড সার্কেল ইন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।গ্রেপ্তার আলমগীর সিদ্দিকী ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর লাঙলমোড়া গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে এবং ঘোপাল ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য।ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে আলমগীর সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি ছাগলনাইয়া থানায় দায়ের হওয়া সংঘর্ষ ও গোলাগুলির মামলার ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থা আইন, অপহরণ ও হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ জুলাই মধ্যরাতে ছাগলনাইয়া শহীদ মিনার এলাকায় অবৈধ বালু ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়। এতে তিনজন আহত হয়। পরদিন আহত বিএনপি কর্মী রিয়াজ উদ্দিন টিপু বাদী হয়ে আলমগীর সিদ্দিকীকে প্রধান আসামি করে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ছাগলনাইয়া থানায় মামলা করেন।ওই মামলার প্রতিবাদে ২৯ জুলাই ছাগলনাইয়া জিরো পয়েন্টে সমাবেশের চেষ্টা করেন আসামিপক্ষের নেতাকর্মীরা। পুলিশের বাধায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত না হলেও উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও ধস্তাধস্তির হয়। পরে এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!