• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পদ্মায় অ’বা’ধে বালু উ’ত্তো’লন, তীব্র ভা’ঙ’নে নদীগর্ভে ফসলি জমি চুয়াডাঙ্গায় চু’ল ছি’ন’তাই’য়ে’র র’হ’স্য উ’ন্মো’চন, গ্রে’প্তা’র চালক-ম্যানেজার যশোরে বাবার লা’শ বারান্দায় রেখেই স’ম্প’ত্তি নিয়ে দুই ভাইয়ের মা’রা’মা’রি ই’য়া’বা’সহ এএসআই শফিকুল গ্রে”ফ’তা’র পাহাড় থেকে পড়ে বাবা-মা-ছেলের মৃ”ত্যু: আইফোন নয়, নে’প’থ্যে গ’ভীর পারিবারিক সং’ক’ট মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মারফত আফ্রিদীর পক্ষ থেকে কামিরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ রামপালে তীব্র নদী ভা’ঙ্গ’ন রোধে দেওয়া হবে পাইলিং বাঁ ধ– প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলাম বাগেরহাটের রামপালে অ’নু’ষ্ঠি’ত হলো কারিগরি দ’ক্ষতা উন্নয়ন মে’লা  নুসরাত হ”ত্যা: ২ আ’সা’মির মৃ”ত্যুদ”ণ্ড ব’হা’ল ভা’রতের মহারাষ্ট্রের হাসপাতালে ৩ ন’ব’জা’ত’কের মৃ”ত্যু

যশোরে বাবার লা’শ বারান্দায় রেখেই স’ম্প’ত্তি নিয়ে দুই ভাইয়ের মা’রা’মা’রি

notuntimes / ১৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬

যশোরে বাবার লাশ বারান্দায় রেখেই সম্পত্তি নিয়ে দুই ভাইয়ের মারামারি

বারান্দায় পড়ে ছিল বাবার নিথর দেহ। স্বজনরা যখন মরদেহ ঘিরে আহাজারি করছিলেন, তখন উঠোনে কবরের জমি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুই ভাই ও তাঁদের স্বজনরা। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের পাঁচজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় শেষ পর্যন্ত পৈতৃক কবরস্থানে দাফন করা হয় বাবার মরদেহ।

হৃদয়বিদারক এ ঘটনা ঘটেছে যশোরের কেশবপুর উপজেলার গৌরীঘোনা ইউনিয়নের সন্যাসগাছা গ্রামে। সোমবার সকালে দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর মারা যান ওই গ্রামের আব্দুল খালেক মান (৭২)। তাঁর মৃত্যুর পর কবরস্থানের সাড়ে তিন হাত জায়গা নিয়ে দুই ছেলের বিরোধের জেরে এ সংঘর্ষ হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চার-পাঁচ বছর আগে বড় ছেলে মাহাবুর রহমান মান বসতবাড়ি ও পারিবারিক কবরস্থানসহ বাবার সব সম্পত্তি নিজের নামে রেজিস্ট্রি করে নেন। পরে তিনি বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে নতুন বাড়ি করে আলাদা বসবাস শুরু করেন। এরপর গ্রাম্য মাতব্বরদের মধ্যস্থতায় ছোট ভাই আছাবুর রহমান মান বড় ভাইয়ের কাছ থেকে পুরোনো বসতবাড়ি ও কবরস্থান কিনে নেন। পরে সেখানে ঘরবাড়ি তৈরি করে বসবাস করে আসছিলেন তিনি।

জীবনের শেষ সময়ে অসুস্থ বাবা বড় ছেলে মাহাবুরের আশ্রয়ে ছিলেন। সোমবার সকালে তাঁর মৃত্যু হলে পুরোনো পারিবারিক কবরস্থানে বাবাকে দাফনের জন্য কবর খুঁড়তে যান মাহাবুর। এ সময় ছোট ভাই আছাবুর কবর খোঁড়ায় বাধা দেন। ওই জমি কেনার সূত্রে তিনি কবরস্থানের জায়গার মালিকানা দাবি করেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই ভাই ও তাঁদের স্বজনরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এ সময় উভয়পক্ষের লোকজন একে অপরকে মারধর করেন। এতে বড় ভাই মাহাবুর রহমান, তাঁর স্ত্রী মমতাজ বেগম ও মেয়ে লিলিমা খাতুন এবং ছোট ভাই আছাবুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী হালিমা বেগম আহত হন। পরে তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সংঘর্ষের কারণে বাবার দাফনও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) যোগেশ চন্দ মন্ডলের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় পৈতৃক কবরস্থানে আব্দুল খালেকের মরদেহ দাফনের ব্যবস্থা করা হয়।এসআই যোগেশ চন্দ মন্ডল বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় আব্দুল খালেকের মরদেহ দাফনের ব্যবস্থা করা হয়। আহতরা চিকিৎসা শেষে লিখিত অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!