• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সী’মা’ন্তে’র শূ’ন্য’রে’খা’য় বাবার ম”রা মু”খ দে’খ’লে’ন মেয়ে ইবি’র রনজিতপুরে বৈ’দ্যু’তি’ক শ’র্টসা’র্কি’টে বসতঘর পু’ড়ে ছা’ই  খা’দ্যগু’দা’ম থেকে ২ কো’টি টা’কা’র খাদ্যশস্য আ’ত্ম’সা’তে’র অ’ভি’যো’গে মা”ম”লা এলজিইডির সড়কে ইট বিছিয়ে ২০ লা’খ টা”কা খ’র’চ, তিন মাসেই তুলে ফে’ল’ছে পৌরসভা কু’রু’চি’পূ’র্ণ স্লো’গা’নে’র প্র’তি’বা’দে ভেড়ামারায় জামায়াতে ইসলামী বি’ক্ষো’ভ মি’ছি’ল ও স’মা’বে’শ অনু’ষ্ঠি’ত হয়েছে  পদ্মা নদী থেকে অ’বৈ’ধ বালু উ’ত্তো’ল’ন ব’ন্ধ ও নি’রা’প’ত্তা নিশ্চিতে রুল বিল ছাড় নিয়ে বা”গ’বি’ত’ণ্ডা, মোহাম্মদপুরে হাসপাতালে ভা’ঙ’চু:র জানুয়ারিতে ব’র্ধি’ত ম”জু’রি পাবেন পো’শা’কশ্র’মি’কে’রা গাংনী উপজেলা নি’র্বা’চন অফিসে সে’বা’র না’মে ভো’গা’ন্তি, টা’কা ছাড়া মে’লে না সে’বা, অ’ভিযো’গ ভুক্তভোগীদের গাংনীতে তহশিলদার হুমায়ুনের মা’সি’ক বাড়তি আয় লা”খ টা”কা, জি”ম্মি সাধারণ ভূমি মা’লি’করা

সী’মা’ন্তে’র শূ’ন্য’রে’খা’য় বাবার ম”রা মু”খ দে’খ’লে’ন মেয়ে

notuntimes / ১৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

সীমান্তের শূন্যরেখায় বাবার মরা মুখ দেখলেন মেয়ে

মেহেরপুর প্রতিনিধি: মেহেরপুরের মুজিবনগর সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের মানবিক উদ্যোগে শেষবারের মতো মৃত মায়ের মুখ দেখলেন মেয়ে।এসময় উভয় দেশের আত্মীয় স্বজনদের মাঝে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ৪৫ বছর পর শেষ বারের মতো বাবাকে দেখার সুযোগ পেলেন বাংলাদেশে বসবাসরত মেয়ে ফেরদৌসী খাতুন।এ সময় তাদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে সেখানকার পরিবেশ।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে মেহেরপুরের মুজিবনগর স্বাধীনতা সড়কের ১০৫ নম্বর সীমান্ত পিলারের শূন্যরেখার বেলতলায় শেষবারের মতো বাবাকে দেখেন তিনি।

বাবার মৃত্যুসংবাদ পাওয়ার পর শেষবারের মতো দেখার সুযোগ করে দেন দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

স্থানীয়রা জানান, মৃত মো: মোনরুদ্দিন শেখের বাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চাপড়া থানার হৃদয়পুর গ্রামে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স প্রায় ১০০ বছর।নিহত মোনরুউদ্দিন এর ছয় সন্তানের মধ্যে তিন ছেলে ও তিন মেয়ে।প্রায় ৪৫ বছর আগে বড় মেয়ে মোছা: ফিরদৌসী খাতুনের সাথে বিয়ে হয় বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের সোনাপুর নতুনপাড়া গ্রামের মো: ইস্রাফিলের সঙ্গে।এরপর থেকেই ফেরদৌসী খাতুন তার স্বামীর সংসারেই বসবাস করছেন। পরবর্তীতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পর বাবার সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।দীর্ঘদিন বাবার সঙ্গে সরাসরি দেখা বা যোগাযোগের সুযোগ হয়নি তাঁর।তবে শেষবারের মতো দেখতে পেলেন বাবার মৃতমুখটা।

বড় মেয়ে মো: ফেরদৌসী খাতুন বলেন, আমরা ৬ ভাই বোনের মধ্যে আমি সবার বড়। বিয়ের পর থেকে আমি স্বামীর সাথে বাংলাদেশে আছি।তাদের সাথে কোন যোগাযোগ করতে পারিনি।মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর আমি এখানে ছুটে এসেছি।বাবার তাজা মুখটা আর দেখা হলো না।আমি যতদিন বাঁচবো এই ব্যথা আমাকে বয়ে বেড়াতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বাবার কাফন পরানো দেহটা দেখে বুকের ভেতর যে কি কষ্ট হচ্ছে তা পৃথিবীর কাউকে বুঝানো সম্ভব নয়।তারা আবার বাবার মৃতদেহ নিয়ে চলে যাবে।আর আমি আমার ব্যথা বয়ে নিয়ে বেড়াবো।কারণ, হয়তো বাবার কবরটাও আর কোনদিন দেখতে পাবো না।তবে শেষবারের মতো বাবার মুখটা দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বিজিবি ও বিএসএফ এর সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞ

এ সময় বাংলাদেশের পক্ষে বিজিবির মুজিবনগর কোম্পানি সদর কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে বিজিবি’র একটি দল উপস্থিত ছিলেন।অন্যদিকে ভারতের পক্ষে
এএসআই সুনীল কুমার এর নেতৃত্বে বিএসএফ এর একটি দল উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘ সময়ের পর বাবাকে শেষবারের মতো দেখার এই সুযোগে সীমান্তের শূন্যরেখায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!