• শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মোটরসাইকেল দু’র্ঘট’না’য় ছাত্রদল কর্মীসহ নি হ ত ২ কুমিল্লায় ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সং”ঘ’র্ষ, আ’হ”ত ৫ প্রতি কিলোমিটারে বাসের ভাড়া বাড়লো ১১ পয়সা ইবি,’র রনজিতপুরে গোয়াল ঘরে ভ’য়া’ব’হ আ”গু’ন: গরুর মৃ ত্যু, ক্ষ’তি’গ্র’স্ত পরিবারের পাশে জামায়াত নে’তৃবৃন্দ খলিসাকুন্ডিতে আধা ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকলে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা থাকে না প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলামের নির্দেশে রামপালে সরকারি খালের অবৈধ বাঁধ অপসারণ এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের ম’নো’নয়নপত্র বা’তি’ল  কুষ্টিয়ার হরিপুর পদ্মার চরে নৌপুলিশের সাথে চ’র”ম’প’ন্থীদের গো’লা’গু’লি ওসিসহ ৫ পুলিশ সদস্য গু’লি’বি’দ্ধ আমার উপজেলায় সাব -ইন্সপেক্টররা সব ছাত্রলীগের ছেলে: এম’পি বাচ্চু মোল্লা শ্বশুরবাড়িতে ঠাঁই না পেয়ে দুই সন্তান নিয়ে স্বামীর ক’ব’রের পাশে আ’শ্র’য় নিলেন স্ত্রী

শ্বশুরবাড়িতে ঠাঁই না পেয়ে দুই সন্তান নিয়ে স্বামীর ক’ব’রের পাশে আ’শ্র’য় নিলেন স্ত্রী

notuntimes / ৮২ Time View
Update : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার উত্তর লস্করচালা গ্রামে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্বামীর কবরের পাশেই দুই সন্তানকে নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন সোনিয়া বেগম। মাথা গোঁজার ঠাঁই ও মানবিক সহায়তার অপেক্ষায় দিন কাটছে তার। পাশে রয়েছে ৯ বছরের কন্যা ছোঁয়া এবং ১৮ মাস বয়সী দুগ্ধপোষ্য পুত্রসন্তান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোনিয়া আক্তারের স্বামী সুজন মাহমুদের মৃত্যুর পর থেকেই পরিবারটি চরম সংকটে পড়ে। সোনিয়ার অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির আর্থিক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও যথাযথ চিকিৎসার অভাবে তার স্বামী ধুঁকে ধুঁকে মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর পরই তিনি জানতে পারেন, শ্বশুরবাড়িতে তার ও সন্তানদের আর কোনো জায়গা নেই।

সোনিয়ার দাবি, শ্বশুর কফিল উদ্দিন ও শাশুড়ি তাদের গ্রহণ করতে রাজি নন। এমনকি স্বামীর দাফনের সময়ও শ্বশুর উপস্থিত না থেকে স্থান ত্যাগ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দেয়।

এরপর দুই সন্তান নিয়ে চরম অসহায় হয়ে পড়েন সোনিয়া। পরে স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলামের পরিবার মানবিক কারণে কিছুদিন আশ্রয় দিলেও পরবর্তীতে আইনি জটিলতার আশঙ্কায় সেই আশ্রয়ও স্থায়ী হয়নি। কোথাও ঠাঁই না পেয়ে শেষপর্যন্ত স্বামীর কবরের পাশেই আশ্রয় নেন সোনিয়া।

অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে সোনিয়া বেগম বলেন, স্বামীর লাশ ফেলে শ্বশুর চলে গিয়েছিলেন। এখন এই দুই সন্তান নিয়ে কোথায় যাব? আমার আর কোনো জায়গা নেই। তাই বাধ্য হয়ে কবরের পাশে আছি।

এলাকাবাসীর অনেকে মনে করেন, পারিবারিক বিরোধ ভুলে শিশুদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে পরিবারটির পাশে দাঁড়ানো উচিত ছিল। স্থানীয় সচেতন মহল ও সমাজকর্মীরা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, সোনিয়া ও তার সন্তানদের নিরাপদ বসবাস ও আইনি অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!