• বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন

ইউএনও/ওসিসহ ১১ জ’ন স্থা”নী”য়”দের হা ম লা য় আ হ ত

notuntimes / ২৭ Time View
Update : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

ইউএনও/ওসিসহ ১১ জন স্থানীয়দের হামলায় আহত

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার পূর্ব বলিপাড়া এলাকায় অবৈধ বালু মহলে উপজেলা প্রশাসন অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন। এতে করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-সহ উভয়পক্ষের ১১ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

হামলায় আহত অন্যরা হলেন, রামগড় উপজেলা প্রশাসনের সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল ওহাব, আনসার সদস্য নুর মোহাম্মদ, মো. সালাহ উদ্দীন, গাড়ি চালক কামাল হোসেন, অফিস সহকারী জয়নাল আবেদীন এবং স্থানীয় যুবক আজাদ, সুমন ত্রিপুরা, নুর হোসেন ও আবুল হোসেন।

রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজির বলেন, উপজেলা প্রশাসন একটি বালু মহলে অভিযান পরিচালনা করে ৫ থেকে ৬টি বালু তোলার মেশিন ধ্বংস করে। ফেরার পথে অতর্কিত হামলা করা হয়।

রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শামিম বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে রামগড়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ পাচ্ছিলাম। এমন তথ্যের ভিত্তিতে পূর্ব বলিপাড়া এলাকায় অভিযানে গেলে দেখতে পান দুই কিলোমিটারের এলাকা জুড়ে একাধিক স্থানে ৩০-৪০ ফুট গর্ত করে ড্রেজার দিয়ে বালু তুলেছে একটি চক্র। ঘটনাস্থল থেকে বালু তোলার পাইপ জব্দ করা হয়। পরে ফেরার পথে তাদের ওপর হামলা করা হয়। অবৈধভাবে বালু তোলার সাথে জড়িতরা এ হামলা চালায় বলে জানিয়েছেন ইউএনও।

তিনি বলেন, যেখানে হামলা ঘটনা হয়েছে সেখানের ২০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে কোন বালু মহল নেই। যা হচ্ছে সব অবৈধ কার্যক্রম।

রামগড় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওবাইন জানান, বালু মহলে অভিযানে গিয়ে রামগড় থানার ওসিসহ হামলার শিকার হয়েছে। এ-সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও আনসার ১০ রাউন্ড রাবার বুলেট ছুঁড়ে।

 

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত টেলিফোনে জানান, রামগড়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের খবর পেয়ে প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করতে গেলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় ওসি, ইউএনও আক্রান্ত হন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। প্রশাসন পুরো ব‌্যাপারটি দেখছে। সব তথ‌্য যাচাই বাছাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

এদিকে, স্থানীয় এবং প্রশাসনের একাধিক সূত্রে জানায় রামগড় উপজেলায় লামকু পাড়া, থানা চন্দ্রপাড়া, খাগড়াবিল এলাকা, ওয়াফই পাড়া এসব জায়গা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হতো। প্রশাসনের অভিযানের পর বন্ধ থাকলেও মাস দেড়েক ধরে নতুন করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। তারমধ্যে পূর্ব বলিপাড়া এলাকাটি অবৈধ বালু উত্তোলনের সবচেয়ে বড় জায়গা। এরসঙ্গে একটি প্রভাবশালী চক্র জড়িত বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!