এবার ঈদযাত্রায় ৬ দিনে সড়কে ঝরল ১৩১ প্রাণ
এবার ঈদে দযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ দিনে অন্তত ১৩১ জন মারা গেছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। দুর্ঘটনা রোধে সড়কের পাশাপাশি নৌ ও রেলপথ উন্নয়নে জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীমুখী সব কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ করলে সড়ক দুর্ঘটনার হার অনেকটাই কমে যাবে।
এবার ঈ দযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ দিনে অন্তত ১৩১ জন মারা গেছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। দুর্ঘটনা রোধে সড়কের পাশাপাশি নৌ ও রেলপথ উন্নয়নে জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীমুখী সব কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ করলে সড়ক দুর্ঘটনার হার অনেকটাই কমে যাবে।
প্রতিবছরই ঈ দের সময় ঘ রমুখী যাত্রায় ছোট-বড় নানা দুর্ঘটনায় অনেক মানুষ হতাহত হয়। এবারও ঈ দযাত্রায় ব্যতিক্রম হয়নি। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের হিসাব মতে, ঈ দে বা ড়ি ফে রাকে কেন্দ্র করে দুর্ঘটনায় ৬ দিনে অন্তত ১৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংস্থাটির নির্বাহী সাই দুর রহমান জানান, সড়কের তুলনায় নৌ ও রেলপথ বেশি নি রাপদ। তবে এসব খাতে শৃঙ্খলার ঘাটতি রয়েছে।
সাই দুর রহমান বলেন, ‘অনিয়মনের সমষ্টিগত ফলেই এই সড়ক দুর্ঘটনা। এখানে যা নবাহনের ত্রুটি আছে, চালকদের অদক্ষতা আছে, ব্যবস্থাপনাগত ত্রুটি আছে, সড়ক ও সড়ক প রিবহন কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা আছে, তাদের দ্বায়িত্বহীনতার বিষয় আছে।’
এদিকে যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানিয়েছে, এবারের ঈ দযাত্রায় ২১ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত ১৮৭টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। যাত্রী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোজ্জামেল হক চৌধুরী বলেন, ‘প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা বাড়ানোর মধ্য দিয়ে মনিটরিং ব্যবস্থায় আমুল পরিবর্তন আনা না গেলে এবং সড়ক প রিবহন খাতকে সংস্কার করা না গেলে এরকম দুর্ঘট
ড. মো. হাদিউজ্জামান বলেন, ‘আমাদের সড়কের বিকল্প হিসেবে আমাদের রেল এবং নৌ পথ এইটাকে ঢেলে সাজাতে হবে। ঢাকা শহর মানুষ দ্বারা ভারাক্রান্ত এবং একই সাথে অবকাঠামো দ্বারা ভারাকান্ত হয়ে গেছে। আমাদের উচিৎ এখন ঢাকায় বিনিয়োগ না করে ঢাকার বাইরে বিনিয়োগ করা এবং কর্মসংস্থান তৈরি করা।’অন্যা গাড়ির তুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার বেশি বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।