• শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শাপলা চত্বর হ’ত্যা’কা’ণ্ডে আ’সা’মি হচ্ছেন ইনু এ’আই দিয়ে তৈ’রি ভু’য়া প্র’বে’শপ’ত্র দিয়ে পরীক্ষায় অং’শ নে’য়া’র চে’ষ্টা, দুজনের শা’স্তি জুনে ৪৭ জন সাংবাদিক নি’র্যা’ত’ন ও হ’য়রা’নির শি’কা’র রা’জ’নৈতিক স’হিং’স’তা ও মবে খু’ন ৪০ জন গাংনীতে প’চা ডিম কা’ন্ডে উ’ল্টো শো’ক’জ খেলেন প্রধান শিক্ষক নে’শা ছাড়তে কা’রাদ’ণ্ডে’র দা’বি নিয়ে তিন দ’ফায় ইউএনওর কার্যালয়ে মা’দ’কা’স’ক্ত ব্য’ক্তি দৌলতপুরে পুলিশের  অ’ভি’যা’নে মা”দ”ক ও অ”স্ত্র,গুলি  সহ যুবক আ”ট’ক শিক্ষকদের ভোটে দাঁ’ড়া’নোর আ’গে চাকরি ছা’ড়’তে হবে: শিক্ষামন্ত্রী  ব্যাগভর্তি সরকারি আবেদনপত্র ও এনআইডি নিয়ে ইউএনও কা’র্যা’ল’য়ে, জ’রি’মা’না ৫০০ টাকা গাংনীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পঁ’চা ডিম দেয়ার অ’ভি’যো’গ মেহেরপুরে গাঁজার গাছসহ গাঁজাচষী আ’ট’ক

নে’শা ছাড়তে কা’রাদ’ণ্ডে’র দা’বি নিয়ে তিন দ’ফায় ইউএনওর কার্যালয়ে মা’দ’কা’স’ক্ত ব্য’ক্তি

notuntimes / ১২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

নে’শা ছাড়তে কা’রাদ’ণ্ডে’র দা’বি নিয়ে তিন দ’ফায় ইউএনওর কার্যালয়ে মা’দ’কা’স’ক্ত ব্য’ক্তি

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মাদকের নেশা কাটাতে নিজেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেছেন এক মাদকাসক্ত ব্যক্তি। টানা তিন দিন ইউএনও কার্যালয়ে ঘোরাঘুরির পর শেষ পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে পাঁচ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে ১০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থ অনাদায়ে আরও সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার বিকেলে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত জহুরুল ইসলাম (৫০) গোদাগাড়ী উপজেলার জাহানাবাদ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে। এর আগে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ছয় মাস কারাভোগ করলেও নেশা ছাড়তে পারেননি তিনি।

গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এবার এ দণ্ড দেন।

গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, জহুরুল ইসলাম নিজ থেকেই ইউএনওর কার্যালয়ে গিয়ে জানান, তিনি আর মাদক সেবন করতে চান না। কিন্তু কোনোভাবেই নেশা ছাড়তে পারছেন না। তাই তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর অনুরোধ করেন।

ওসি আরও জানান, তিনি সত্যিই সংশোধন হতে চান কি না, তা যাচাই করতে প্রথম দিন তাকে পরদিন আসতে বলা হয়। পরদিনও তিনি একই আবেদন নিয়ে উপস্থিত হন। সেদিনও তাঁকে ফেরত পাঠানো হয়। বুধবার তৃতীয় দিনের মতো তিনি আবার ইউএনও কার্যালয়ে এসে একই আবেদন জানান।

এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬ (১) ধারার ১৬ নম্বর ক্রমিকের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থ অনাদায়ে আরও সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে তাকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান বলেন, শুধু জহুরুল ইসলাম নন, বুধবার তার সঙ্গে পরিবারের একজন সদস্যও এসেছিলেন। তারা দুজনই অনুরোধ করেন, জহুরুল ইসলাম যেন কারাগারে গিয়ে নেশা থেকে মুক্ত হওয়ার সুযোগ পান। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী দণ্ড প্রদান করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!