ব্যাগভর্তি সরকারি আবেদনপত্র ও এনআইডি নিয়ে ইউএনও কা’র্যা’ল’য়ে, জ’রি’মা’না ৫০০ টাকা
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা পরিষদে একাধিক ব্যক্তির সরকারি সহায়তার আবেদন ও বিভিন্ন সেবা-সংক্রান্ত কাগজপত্র সঙ্গে রেখে তদবিরের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) মিরপুর উপজেলা পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, উপজেলার তালবাড়িয়া ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা মহসিন উদ্দীন তার এলাকার ছয়জনের পক্ষে ঢেউটিন সহায়তার আবেদন নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত আমান আজিজের কার্যালয়ে যান। একজন ব্যক্তি একসঙ্গে একাধিক আবেদনপত্র নিয়ে আসায় ইউএনওর সন্দেহ হলে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করা হয়।
তল্লাশিতে বিভিন্ন ব্যক্তির ১৪টি জাতীয় পরিচয়পত্র, পাঁচটি বয়স্ক ভাতার আবেদনপত্র, একাধিক জন্ম নিবন্ধনের আবেদন, দাখিলা, জমি নামজারির আবেদন, নলকূপ স্থাপনের আবেদন এবং একটি ব্ল্যাংক চেক পাওয়া যায়। এ বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মহসিন উদ্দীন বলেন, “আমি ঢেউটিনের আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম। ইউএনও আবেদন দেখে বলেন, ‘এই দালাল ধরা পড়ে গেছে।’ এরপর নানা ধরনের কথা বলে আমাকে আটকে রাখা হয়। থানায় দেওয়ার কথাও বলা হয়।”
তিনি আরও বলেন, “যাদের নামে আবেদন করেছি, তারা সবাই বিষয়টি জানেন। এরপর আমার মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয় এবং প্রায় এক ঘণ্টা আটকে রেখে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।”
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত আমান আজিজ বলেন, “মহসিন উদ্দীনের কাছে সাত-আটটি ঢেউটিনের আবেদনপত্র পাওয়া যায়। এছাড়া তার ব্যাগে বিভিন্ন ব্যক্তির সরকারি সেবা-সংক্রান্ত কাগজপত্রও ছিল।”
তিনি আরও বলেন, “জিজ্ঞাসাবাদে দেখা যায়, তিনি বিভিন্ন মানুষের পক্ষ থেকে এসব কাগজপত্র নিয়ে এসে তদবির করতেন। এ অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।”