কুষ্টিয়ায় গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্যের কাছে চাঁদা দাবীর অভিযোগ, না দেওয়ায় ভাংচুর-লুটপাট
কুষ্টিয়ায় এক গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্যের কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবীর অভিযোগ উঠেছে। চাঁদা না দেওয়ায় ওই বিজিবি সদস্যের নির্মানাধীন স্থাপনা ভাংচুর সহ লুটপাট করা হয়েছে মূল্যবান জিনিসপত্র। ভূক্তভোগী ওই বিজিবি সদস্যের নাম আলাউদ্দিন বিশ্বাস। তিনি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বাসিন্দা। তিনি জানান, চাকরীরত অবস্থায় ২০২০ ও ২২ সালে ৭.৬৬ শতক জমি ক্রয় করেন ধোকড়াকোল কলেজ মোড় এলাকায়। ২০২৫ সালে চাকরী থেকে অবসরে আসার পর ২০২৬ সালে সেই জমিতে শুরু করেন মার্কেট নির্মান। সেখানেই বাধে বিপত্তি। স্থানীয় আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ ওসমান গনি দাবী করেন ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা। চাঁদা দিতে অসীকৃতি জানালে ওই বিজিবি সদস্যের নির্মানাধীন স্থাপনা ভাংচুর সহ লুটপাট করা হয়েছে মূল্যবান জিনিসপত্র। চাঁদার জন্য প্রতিনিয়তই হুমকী দেওয়া হচ্ছে প্রাণনাসের। চাকরী জীবনে ৪০ বছর ধরে দেশের সীমান্ত রক্ষায় যিনি জীবন বাজী রেখেছেন, এখন তার নিজের সম্পত্তি রক্ষায় অসহায়ের মত ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে। তবুও মিলছেনা সুরাহা।
এঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চানচল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, এমন নেক্কারজনক ঘটনার সাথে জড়িতদের শাস্তি চায় তারা। এঘটনায় অভিযুক্ত ওসমান গনি মোবাইল ফোনে জানান, তার বিরুদ্ধে তোলা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোন সুরাহা না পেয়ে বিজিবি সদস্য আলাউদ্দিন সরনাপন্ন হন আদালতের। আদালতের নির্দেশে পুলিশ তদন্ত করে পেয়েছে ঘটনার সত্যতাও। খোকসা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আলাল উদ্দিন জানান, ঘটনার সত্যতা গেছে। এবং আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। আর বিষয়টি নিয়ে দায় এড়িয়ে গেছেন খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোল্লা জাকির হোসেন। তিনি জানান, ওখানে ভাংচুর লুটপাটের মত কোন ঘটনায় ঘটেনি। তবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসমিন জাহান। একজন বিজিবি সদস্যের কাছে চাঁদা দাবী ও তার নির্মানাধীন স্থাপনা ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবী এলাকাবাসীর।