• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দেড় লা’খ টা’কা দিয়েও চেয়ারম্যান হতে পারেননি, ফাঁ’স করলেন সচিবসহ ছয়জনের নাম অ’নৈ”তি”ক ক”র্ম”কা’ণ্ডে’র ভি’ডি’ও ভা”ই’রা’ল অ’ব্যা’হ’তি পাওয়া জামায়াত নে’তা’র বাড়ি গুঁ”ড়ি”য়ে দিলেন এ’লা’কা’বা’সী এইচএসসি পা’স করলো জেলা ছা’ত্র’দ’ল স’ভা’প’তির ছেলে, স’মা’লো’চনা’র মুখে ক’মি’টি বি’লু’প্ত দৌলতপুরে চাঁ”দা না দেওয়ায় হিন্দু ব্য’ক্তির ম”র’দেহ সৎকারে বা”ধা’র অ’ভি”যো”গ কুষ্টিয়ার মিরপুরে অ’বৈ’ধভা’বে তরল সার প্যা’কে’টজা’ত করার দায়ে জ’রি’মা’না। মিয়ানমারে পা’চা’রে’র সময় ৩০১ বস্তা ইউরিয়া সার উ”দ্ধা”র, গ্রে”প্তা”র ৮ এইচএসসিতে যশোর বোর্ডের ১৬ প্রতিষ্ঠানে পা’শ করেনি কেউ নাটোরের গুরুদাসপুর: বাবা এমপি, ছেলেরা বে’প”রো’য়া দৌলতপুরে চেয়ারম্যান প্রা’র্থী ইকবাল হোসেনের বিশাল মোটরসাইকেল শোডাউন শ্রমিক-পুলিশ দফায় দফায় সং’ঘ’র্ষে আ”হ”ত ৩০: পুলিশের গাড়িসহ ১৫টি যানবাহন ভা’ঙ’চু’র

দৌলতপুরে চাঁ”দা না দেওয়ায় হিন্দু ব্য’ক্তির ম”র’দেহ সৎকারে বা”ধা’র অ’ভি”যো”গ

notuntimes / ১২ Time View
Update : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

দৌলতপুরে চাঁ”দা না দেওয়ায় হিন্দু ব্য’ক্তির ম”র’দেহ সৎকারে বা”ধা’র অ’ভি”যো”গ

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ১০ হাজার টাকা চাঁদা না দেওয়ায় এক হিন্দু ব্যক্তির মরদেহ সৎকারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মহাশ্মশান কমিটির বিরুদ্ধে। পরিবারের অভিযোগ, শ্মশানে মরদেহ সৎকার করতে গেলে কমিটির পক্ষ থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। ওই টাকা দিতে না পারায় শ্মশানের চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় শ্মশানের এক কোণে মরদেহ সৎকার করা হয়। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামের বেলতলা মহাশ্মশানে এ ঘটনা ঘটে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান তাজপুর গ্রামের দিনমজুর যুগল দাশ (৭০)। মৃত্যুর পর স্বজনেরা তাঁর মরদেহ গ্রামের বেলতলা মহাশ্মশানে সৎকারের জন্য নিয়ে যান। এ সময় শ্মশানের চাবি নিতে শ্মশানের আহবায়ক ভীম ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান তিনি বলে অভিযোগ পরিবারের।

স্বজনদের ভাষ্য, যুগল দাশ ওই মহাশ্মশানের সদস্য ছিলেন। তাঁর তিন ছেলে ও এক মেয়ে। পূর্বপুরুষদের মতো বাবার শেষ ঠিকানাও হবে গ্রামের মহাশ্মশান, এমন প্রত্যাশা ছিল তাঁদের। কিন্তু মৃত্যুর পর বাবার মরদেহ সৎকার করতে গিয়ে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা তাঁরা কল্পনাও করেননি তারা।

যুগল দাশের বড় ছেলে সুনাতন দাশ বলেন, বাবার মৃত্যুর পর মরদেহ সৎকার করতে গেলে ভীম ঘোষ ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। অথচ আমার বাবা ওই মহাশ্মশানের সদস্য ছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে আমরা চরম অসহায় হয়ে পড়ি। বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্যকে জানিয়েছি। তিনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

যুগল দাশের বড় মেয়ে ফুল কুমারীও একই অভিযোগ করে বলেন, বাবার মরদেহ সৎকার করতে গেলে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয়।

প্রতিবেশী ভবেশ পাল বলেন, যুগল দাশের মরদেহ সৎকারের জন্য ভীম ঘোষের কাছে শ্মশানের চাবি চাইতে গেলে তিনি চাবি দিতে গড়িমসি করেন। একপর্যায়ে সরাসরি ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় চাবি ছাড়াই শ্মশানের এক কোণে সৎকারের ব্যবস্থা করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে বেলতলা মহাশ্মশানের আহ্বায়ক ভীম ঘোষ বলেন, বিষয়টি আমার একার সিদ্ধান্ত নয়। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টাকা চাওয়া হয়েছে। আমি নতুন সভাপতি হয়েছি। শ্মশানে জায়গার স্বল্পতা রয়েছে, এ কারণে টাকা চাওয়া হয়েছে। তবে পরিবার টাকা দিতে না পারলে সামাজিকভাবে সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।

এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রদীপ কুমার দাস বলেন, এ ধরনের ঘটনায় কেউ অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মৃত্যুর পর মানুষের আর কোনো চাওয়া-পাওয়া থাকে না। স্বজনদের কাছে শেষ বিদায়টুকু মর্যাদার সঙ্গে সম্পন্ন করাই তখন প্রধান প্রত্যাশা। সেই শেষ বিদায়েও অর্থ দাবির অভিযোগ স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একটি সর্বসাধারণের ব্যবহারের শ্মশানে সৎকারের ক্ষেত্রে আর্থিক বাধা সৃষ্টি করা কতটা যৌক্তিক, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!