• শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কুষ্টিয়া মিরপুরে আমলা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের কুইজ ও আ’লোচ’না স’ভা কুষ্টিয়া মিরপুরে আমলা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের কুইজ ও আলোচনা সভা প্রেমিকাকে হ”ত্যা’র পর পরিবারে ফোন—‘লা”শ নিয়ে যা’ কুষ্টিয়া জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক হলেন আশরাফুল ইসলাম অনিক দৌলতপুরে মাদ্রাসাছাত্রকে ব’লা’ৎ’কার: শিক্ষককে আ’ট’কাতে গিয়ে ওসিসহ ৩ পুলিশ আ’হ’ত, গাড়ি ভা’ঙ’চুর এক কুকুরের কা’ম’ড়ে আ’হ’ত ৪৫, ৪০ মিনিটে হাসপাতালে ২৫ নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ওপর হা’ম’লার প্র’তি’বা’দে কুষ্টিয়ায় এনসিপির চার অঙ্গসংগঠনের বি’ক্ষো’ভ মি’ছি’ল ও স’মা’বে’শ কুষ্টিয়ায় দুইটি পি’স্ত’ল ও ১৮ রা’উ’ন্ড গু’লি’সহ আ’ট’ক ২ মোটরসাইকেলের ধা’ক্কা’য় বৃ’দ্ধার মৃ”ত্যু ওঝার ঝাড়ফুঁকে চিকিৎসায় বি’লম্ব, সা’পে কা’টা রোগীর মৃ”ত্যু

দৌলতপুরে মাদ্রাসাছাত্রকে ব’লা’ৎ’কার: শিক্ষককে আ’ট’কাতে গিয়ে ওসিসহ ৩ পুলিশ আ’হ’ত, গাড়ি ভা’ঙ’চুর

notuntimes / ৬১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

দৌলতপুরে মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকার: শিক্ষককে আ’ট’কাতে গিয়ে ওসিসহ ৩ পুলিশ আ’হ’ত, গাড়ি ভা’ঙ’চুর

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে একাধিক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে এক মাদ্রাসার মুহতামিম ও শিক্ষককে আটক করতে গিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতার হামলায় দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান ভাঙচুর করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার খলিশাকুন্ডি ইউনিয়নের মালিথাপাড়া এলাকায় অবস্থিত মার্কাজুল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকের নাম আশিকুল্লাহ (৪০)। তিনি যশোরের বাঘারপাড়া থানার জামদিয়া এলাকার মৃত ক্বারী এনামুল্লাহর ছেলে এবং ওই মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষক ও মুহতামিম হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

জনতার হাত থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার ও আটক করতে গিয়ে আহত হয়েছেন দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নজরুল ইসলাম ও কনস্টেবল আজম হোসেন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, মার্কাজুল মাদ্রাসার হেফজ বিভাগে পড়ুয়া একাধিক ছাত্রকে বিভিন্ন সময় আশিকুল্লাহ যৌন নির্যাতন করে আসছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে বৃহস্পতিবার দুপুরে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসায় গিয়ে তাঁকে অবরুদ্ধ করে মারধর শুরু করেন।

ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলে, ‘মাদ্রাসার হুজুর বিভিন্ন সময়ে আমার ওপর জোরপূর্বক নির্যাতন চালিয়েছেন। উপায় না পেয়ে বিষয়টি আমি পরিবারকে জানাই। পরে পরিবারের লোকজন এসে মাদ্রাসায় হুজুরকে আটকে রাখে।’

ভুক্তভোগী আরেক শিক্ষার্থীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মৃত মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে ছেলেকে হাফেজ বানানোর উদ্দেশ্যে মাদ্রাসায় দিয়েছিলাম। অথচ সেখানে আমার ছেলে এমন পাশবিক নির্যাতনের শিকার হলো। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে খলিশাকুন্ডি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন বলেন, ‘মাদ্রাসার ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার পর স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে অবরুদ্ধ করে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিক্ষককে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।’

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষককে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়ার সময় জনতার হামলায় আমিসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছি। অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পুলিশের ওসিসহ আহত তিন পুলিশ সদস্য হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: তৌহিদুল হাসান তুহিন বলেন, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!