মেহেরপুরের গাংনীতে চুরি হওয়া স্বর্ণলঙ্কার ১২ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার।এঘটনায় মো: মোমিন খান(৩৬) নামের একজনকে আটক করেছে গাংনী থানা পুলিশ।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চুরি করা স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১ টার সময় গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
আটক মোমিন খান কুষ্টিয়া কুমারখালি থানার বানিয়াপাড়া গ্রামের আলম খানের ছেলে।
অভিযান সুত্রে জানা যায়, গাংনী উপজেলার মুন্দা মাঝের গ্রামের মোছাঃ নার্গিস বানু (৪৬) তার বাড়ির উঠানের দরজার সিঁড়ির পাশে মাটির নিচে একটি প্লাস্টিকের কোটার মধ্যে পলিথিন দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় স্বর্ণালংকারগুলো পুতে রাখে।বাড়িতে টাইলস মিস্ত্রিরা কাজ করছিল।পরে দেখেন সেখানকার মাটি খোঁড়া।পড়ে দেখেন সেখানে তার স্বর্ণালংকার গুলো নেই।পরে সিসি ক্যামেরা ফুটেজে দেখতে পান বাড়িতে টাইলসের কাজ করা একজন মিস্ত্রী মাটি খুঁড়ে স্বর্ণালংকার অপর একজন মিস্ত্রীকে দেয়।তারা স্বর্ণালংকার চুরি করে বাড়ির পিছনের দিক দিয়ে নিয়ে যায়। সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখে মোমিন খানকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে স্বর্ণালংকার সহ ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ থেকে আটক করা হয়।
ভুক্তভোগী নার্গিস বানু বলেন, আমার বাড়িতে টাইলস মিস্ত্রি কাজ করছিল। বিভিন্ন আসবাবপত্র নাড়াচাড়া করছে।এছাড়া চুদি হওয়ার ভয়ে স্বর্ণালংকার গুলো মাটির নিচে পুতে রাখি।টাইলস মিস্ত্রিরা খোঁড়া দেখে।পরে সেগুলো তুলে চুরি করে নিয়ে যায়।পরে গাংনী থানা পুলিশকে জানালে তারা এগুলো উদ্ধার করে।প্রশাসনকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমার এত টাকার জিনিসপত্রগুলো দ্রুত উদ্ধার করার জন্য।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, ১১ ভরি ১৪ আনা স্বর্ণালংকার টাইলসের কাজ করা মিস্ত্রিরা চুরি করে নিয়ে যাই।যার আনুমানিক বাজার মুল্য ২৯ লক্ষ ৬ হাজার ৩৫০ টাকা।পরে ১২ ঘণ্টার মধ্যে বিভিন্ন তথ্যের মাধ্যমে পুলিশের টিম ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ এলাকা থেকে স্বর্ণালংকার সহ মোমিন খানকে আটক করা হয়।