• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পিকনিকের নৌকা থেকে ছি’ট’কে পড়ে ছাত্রদল নে’তাস’হ নি”খোঁ’জ ৩ কুষ্টিয়া-মেহেরপুর মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও কলাবোঝাই নছিমনের মু’খো’মু’খি সং’ঘ’র্ষে নি”হ”ত ১, আ”হ’ত ২০ জানুয়া‌রি-মার্চের মধ্যে পদ্মা ব‌্যা‌রে‌জের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন হবে: পা‌নিসম্পদ মন্ত্রী বাগেরহাটের রামপালে চো’খরা’ঙ্গা’চ্ছে ডেঙ্গু, জনবল সং’ক’টে চিকিৎসাসেবা ব্য’হত কুষ্টিয়ায় চাঁ”দা চে’য়ে চ’রম’পন্থী’দে’র চি’ঠি  ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের বড়দাহ ব্রিজ এলাকায় বাস ও লাটাহাম্বারের সং’ঘ’র্ষে ২৫ জন আ’হ’ত নাটোরে হ’ঠাৎ বে’ড়ে’ছে ডা’য়’রি’য়ার প্র’কো’প কুষ্টিয়ার কারাগার থেকে পা’লা’নো ১২৪ মা’ম’লা’র আ’সা’মি গ্রে’প্তা’র রাজধানীতে ধানমন্ডির পর এবার মহাখালীতে ভ’য়া’ব’হ আ’গু’ন অন্তর্বর্তী সরকারের শ্বেতপত্রের আলোকেই প’দক্ষে’প নিচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

বাগেরহাটের রামপালে চো’খরা’ঙ্গা’চ্ছে ডেঙ্গু, জনবল সং’ক’টে চিকিৎসাসেবা ব্য’হত

notuntimes / ৪৫ Time View
Update : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাগেরহাটের রামপালে চোখরাঙ্গাচ্ছে ডেঙ্গু, জনবল সংকটে চিকিৎসাসেবা ব্যহত

এ এইচ নান্টু, নিজস্ব প্রতিবেদক || বাগেরহাটের রামপালে প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসক ও জনবল সংকটের মধ্যেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পৃথক ওয়ার্ড চালু করেছে রামপাল উপজেলা হাসপাতাল।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন মোট ২৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ৯ জন ও মহিলা ১৩ জন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ওষুধের কোনো সংকট নেই। তবে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় জনবল সংকটে চিকিৎসা দিতে বেশ খানিকটা বেগ পেতে হচ্ছে। ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উপজেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট রোগী চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন ১৬৬ জন। এদের মধ্যে ৪ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আর গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫ জন। তথ্যমতে এখনো পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কেউই মৃত্যু বরণ করেনি রামপালে।

হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আশা উপজেলার হোগোলডাঙ্গার আবু বকর (৩০), শ্রীফলতলার হাসিনা (৩৫), ঝনঝনিয়ার ইয়াসমিন (২৭) সহ বেশ কয়েকজন জানান, আমরা জ্বর কাশী নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। আমাদের স্যলাইন ও ওষুধ দিচ্ছে। ডাক্তার ও নার্স বারবার এসে দ্যাখে আর মশারীর মধ্যে থাকতে বলে। কোনো সমস্যা নেই কিন্তু ডেঙ্গুতে দূর্বল করে দিচ্ছে।

হাসপাতালের সেবিকারা জানান, আমাদের হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপ আছে। জনবল কম তাই চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছি। তবুও রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

হাসপাতালের আবাসিক অফিসার (আরএমও) ডা. স্বাগত দেবনাথ বলেন, চিকিৎসক ও অন্যান্য জনবল সংকটের মধ্য দিয়েই ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছি আমরা। হাসপাতালে প্রতিদিনই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। সীমিত জনবল দিয়ে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে রোগীদের সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছেন চিকিৎসক ও নার্সরা।

এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুকান্ত কুমার পাল বলেন, সচেতনতাই ডেঙ্গুর প্রথম প্রতিরোধ। তবে ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। শরীরে জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির আশেপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বিশেষ করে বৃষ্টিতে জমে থাকা টব বা অন্যানো পাত্রে থাকা পানি অপসারণের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা সম্ভব। এজন্য সবাইকে জনসচেতনতার অনুরোধ জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!