• শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের বড়দাহ ব্রিজ এলাকায় বাস ও লাটাহাম্বারের সং’ঘ’র্ষে ২৫ জন আ’হ’ত নাটোরে হ’ঠাৎ বে’ড়ে’ছে ডা’য়’রি’য়ার প্র’কো’প কুষ্টিয়ার কারাগার থেকে পা’লা’নো ১২৪ মা’ম’লা’র আ’সা’মি গ্রে’প্তা’র রাজধানীতে ধানমন্ডির পর এবার মহাখালীতে ভ’য়া’ব’হ আ’গু’ন অন্তর্বর্তী সরকারের শ্বেতপত্রের আলোকেই প’দক্ষে’প নিচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী মেট্রো রেলের ৪৬ পিলারে ফা’ট’ল, ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রি’টি’ক্যা’ল’ দেশে আসলো প্র’বা’সী রাজুর লা’শ, এলাকায় শো’কে’র ছায়া ছে’লে’র বি’য়ে’র আ’গের দি’ন ট্রা’কের ধা’ক্কা’য় বাবা-মা নি’হ’ত চুয়াডাঙ্গায় বাসায় ঢুকে প্রকৌশলীর স্ত্রী ও মে’য়ে’কে কো’পা’ল দু’র্বৃ’ত্ত’রা, আ’ট’ক ১ চুয়াডাঙ্গায় ১৮৪টি ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিকের ১৩৬টিরই নেই লা’ই’সে’ন্স ন’বায়’ন

কুষ্টিয়ার কারাগার থেকে পা’লা’নো ১২৪ মা’ম’লা’র আ’সা’মি গ্রে’প্তা’র

notuntimes / ৭২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কুষ্টিয়ার কারাগার থেকে পালানো ১২৪ মামলার আসামি আনিছ ঢাকায় গ্রেপ্তার

অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার ১২৪ মামলায় পলাতক আসামি মো.আনিছুর রহমানকে আটক করেছে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানা পুলিশ।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত ১২টার দিকে রাজধানীর ঢাকার বিমানবন্দর থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাকে কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

তার বিরুদ্ধে ‘বিশ্বাস ফাউন্ডেশন’ নামে এনজিও খুলে শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

কুষ্টিয়া কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, ‘মানুষকে দ্বিগুণ লাভের প্রলোভন দেখিয়ে সুকৌশলে আনিছ কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। আদালতে মামলার পর তাকে গ্রেপ্তার করে কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।’

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ওই বছরের ৭ আগস্ট কুষ্টিয়া জেলা কারাগার ভেঙে বেশ কিছু কয়দি পালিয়ে যায়। তাদের মধ্যে এই আনিছুর রহমানও ছিল। গতরাতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তাকে ফের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আনিছুর রহমান কুমারখালীর নন্দলালপুর ইউনিয়নের সদরপুর গ্রামের মৃত ইব্রাহিম বিশ্বাসের ছেলে। ২০০৬ সালে আলাউদ্দিন নগর এলাকায় ‘শ্বাস সঞ্চয় ঋণদান ও সমবায় সমিতি লিমিটেড’নামে একটি এনজিও চালু করে।

পুলিশ, এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক বছরের মধ্যে কুষ্টিয়া, রাজবাড়ী, পাবনা, ঝিনাইদহসহ আশপাশের জেলায় কয়েকশ শাখা খোলেন আনিছ। দ্বিগুণ টাকা ফেরত দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে হাজার হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে বিভিন্ন মেয়াদী ডিপিএসের নামে মোটা অংকের টাকা জমা নেন। একপর্যায়ে কয়েকশ কোটি টাকা জমা হলে তা দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে জমি, বাড়ি, গাড়িসহ সম্পদের পাহাড় গড়েন।

২০২৩ সালের নভেম্বরে কর্মীরা টাকার জন্য চাপ দিলে অফিসে তালা ঝুলিয়ে লাপাত্তা হয়ে যান তিনি। ২০২৪ সালের শুরুতে কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন আদালতে আনিছের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার প্রায় ১২৪টি মামলা হয়। এর মধ্যে ১২টি মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয় তার।

২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল বিদেশে পালানোর সময় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে কুষ্টিয়া জেলখানায় পাঠানো হয়। ২০২৪ সালের ৭ আগস্ট কারাগারের প্রধান ফটক ভেঙে আনিছুরসহ ১০৪ জন আসামি পালিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কুমারখালী থানায় ভিড় করেন ভুক্তভোগীরা। পুলিশ তাদের আদালতে মামলাকরার পরামর্শ দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!