ইবি থানায় মা’দ’ক’বি’রো’ধী অ’ভি’যা’নে গ্রে’ফ’তা’র ৩, উ’দ্ধা’র মা’দ’ক’দ্র’ব্য
তিতাস আহম্মেদ
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানা পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ৩৫ পিস টেপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ১৭ জুলাই রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উজানগ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—উজানগ্রাম এলাকার মৃত আতর আলীর ছেলে কামাল হোসেন (৪৮), একই এলাকার মৃত জল্লাদের ছেলে মোঃ সিরাজুল ইসলাম (৩৮) এবং সোনাইডাঙ্গা গ্রামের মোঃ মানিক বিশ্বাসের ছেলে মোঃ ইসমাইল আহমদ কনক (২৭)।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৭ জুলাই রাতে উজানগ্রাম এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এ সময় ৩৫ পিস মাদকজাতীয় টেপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ কামাল হোসেনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে কামাল হোসেনের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপর দুই মাদক কারবারি সিরাজুল ইসলাম ও ইসমাইল আহমদ কনক ঘটনাস্থল থেকে কৌশলে পালিয়ে যান।
ঘটনার পরপরই কামাল হোসেনকে প্রধান আসামি করে পলাতক সিরাজুল ও কনকের বিরুদ্ধে ইবি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা (মামলা নং-১১, তারিখ: ১৭-০৭-২০২৬) দায়ের করা হয়। মামলার পর ইবি থানা পুলিশের একটি চৌকস দল নিরলস অভিযান চালিয়ে পলাতক আসামি সিরাজুল ও কনককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পুলিশের তথ্যমতে, গ্রেফতারকৃত তিনজনের বিরুদ্ধেই থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
এ বিষয়ে ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা বলেন, মাদক কারবারি বা সেবনকারী—অপরাধের ক্ষেত্রে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধী যতই শক্তিশালী হোক, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের এ ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।গ্রেফতারকৃত আসামিদের ১৮ জুলাই সকালে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে থানা পুলিশ নিশ্চিত করেছে।