• রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কুষ্টিয়া ক্রিকেটের সোনালি সেকাল: একটি ছবিতে জীবন্ত ইতিহাস কুষ্টিয়ায় যাত্রীবাহী বাস উ’ল্টে খা’দে, আ’হ’ত অ’ন্তত ২৫ ইবি থানায় মা’দ’ক’বি’রো’ধী অ’ভি’যা’নে গ্রে’ফ’তা’র ৩, উ’দ্ধা’র মা’দ’ক’দ্র’ব্য কুষ্টিয়ায় আ’ধি’প’ত্য বি’স্তা’রকে কে’ন্দ্র করে নি’হ’ত ২ কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র নিহত ২ একসঙ্গে ম’রা’র সি’দ্ধা’ন্ত নিয়ে যমুনায় ঝাঁ’প দিলেন প্রেমিক, পা’লি’য়ে গেলেন প্রে’মি’কা পৌরসভা থেকে উ’ধা’ও ৫টি সরকারি গাড়ি নষ্ট দাঁত রেখে তুলে ফেলা হলো সুস্থ দাঁত!  মাইকে ঘো’ষ’ণা দিয়ে পুলিশের ওপর হা’ম’লা, ওসিসহ আ’হ’ত ২ কুষ্টিয়ায় বেড়েছে মরিচের চাষ, পাইকারি বাজারে দাম ভালো থাকায় খুশি কৃষক, অসন্তোষ ভোক্তাদের

পৌরসভা থেকে উ’ধা’ও ৫টি সরকারি গাড়ি

notuntimes / ৪৩ Time View
Update : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬

পৌরসভা থেকে উধাও ৫ সরকারি গাড়ি

নরসিংদীর মাধবদী পৌরসভা থেকে প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের ৫টি সরকারি গাড়ি উধাও হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সম্প্রতি ২টি ডাম্প ট্রাক ও একটি পে-লোডার উদ্ধার হলেও এখনো পাওয়া যায়নি ৩টি গাড়ি। এ ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ।

মাধবদী পৌরসভার প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের ৫টি সরকারি গাড়ির খোঁজ নেই অনেক দিন। অভিযোগ আছে, গাড়িগুলো বিক্রি করে দিয়েছে পৌরসভার গাড়িচালক মোস্তফা ও কামালসহ একটি চক্র। সম্প্রতি এমন তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নড়েচড়ে বসে পৌর কর্তৃপক্ষ।

নিখোঁজ গাড়িগুলোর মধ্যে ৪টি ডাম্প ট্রাক ও একটি অ্যাম্বুলেন্স। গত ১০ জুলাই বিশেষ অভিযানে শিবপুরের ইটাখোলা এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে উদ্ধার করা হয় দুটি ট্রাক ও একটি পে-লোডার।

নরসিংদীর শিবপুর এলাকার গ্যারেজ মালিক তাইজুল ইসলাম বলেন, ‘আমার এখানে যে ৫টা গাড়ি এনেছে, এর মধ্যে ৩টা আমি নিজে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছি। আর বাকি দুটো গাড়ির বিল ও চ্যাসিস নম্বর আমার কাছে আছে।’

নরসিংদীর মাধবদী এলাকার গ্যারেজ মালিক মনিরুজ্জামান মনু বলেন, ‘আমি জানিয়েছি যে আমার এখানে এই গাড়িটা আছে, আপনারা নিয়ে যান। পরে আমার কাছ থেকে গাড়িটা নিয়ে গেছে ৫ আগস্টের পরে।’এখনো খোঁজ মিলছে না দুটি ট্রাক ও একটি অ্যাম্বুলেন্সের। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘সরকারি গাড়ি কীভাবে চুরি হয়, এর সাথে জড়িত কারা?’

মাধবদী পৌরসভার স্টোরকিপার রহিমা বেগম বলেন, ‘আমার কাছে গাড়ি নেই। আমাকে তো বুঝিয়ে দেয়নি। আমি এখানে স্টেশনারি মালামাল সংরক্ষণ করি। এটা সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না।’তবে এ ঘটনায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন অভিযুক্ত কামাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘এই সাবজেক্ট আমার না। গার্বেজ ট্রাকের মেইনটেন্যান্স মোস্তফা ভাই করেন। আমি ছিলাম জিপ চালক, মেয়র স্যারের জন্য। এই গাড়িগুলোর বিষয়ে হয়তো মোস্তফা ভাই জানিয়েছে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ হয়তো গুরুত্ব দেয়নি। এরকমও হতে পারে। কিন্তু আমি সঠিক জানি না। এখন অভিযোগ অফিস তদন্ত করবে। আমি যদি দোষ করি তাহলে তো শাস্তি পাব।’ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের কথা জানালেন পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা জাহান সরকার। তিনি বলেন, ‘৩১ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। কমিটি তাদের মিটিং করেছে। যাদের সাক্ষ্য প্রয়োজন সেগুলো নিয়েছে।’

নিখোঁজ গাড়ি দ্রুত উদ্ধার ও অপরাধীদের শাস্তির দাবি এলাকাবাসীর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!