• রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কুষ্টিয়া ক্রিকেটের সোনালি সেকাল: একটি ছবিতে জীবন্ত ইতিহাস কুষ্টিয়ায় যাত্রীবাহী বাস উ’ল্টে খা’দে, আ’হ’ত অ’ন্তত ২৫ ইবি থানায় মা’দ’ক’বি’রো’ধী অ’ভি’যা’নে গ্রে’ফ’তা’র ৩, উ’দ্ধা’র মা’দ’ক’দ্র’ব্য কুষ্টিয়ায় আ’ধি’প’ত্য বি’স্তা’রকে কে’ন্দ্র করে নি’হ’ত ২ কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র নিহত ২ একসঙ্গে ম’রা’র সি’দ্ধা’ন্ত নিয়ে যমুনায় ঝাঁ’প দিলেন প্রেমিক, পা’লি’য়ে গেলেন প্রে’মি’কা পৌরসভা থেকে উ’ধা’ও ৫টি সরকারি গাড়ি নষ্ট দাঁত রেখে তুলে ফেলা হলো সুস্থ দাঁত!  মাইকে ঘো’ষ’ণা দিয়ে পুলিশের ওপর হা’ম’লা, ওসিসহ আ’হ’ত ২ কুষ্টিয়ায় বেড়েছে মরিচের চাষ, পাইকারি বাজারে দাম ভালো থাকায় খুশি কৃষক, অসন্তোষ ভোক্তাদের

কুষ্টিয়া ক্রিকেটের সোনালি সেকাল: একটি ছবিতে জীবন্ত ইতিহাস

notuntimes / ৩৭ Time View
Update : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

কুষ্টিয়া ক্রিকেটের সোনালি সেকাল: একটি ছবিতে জীবন্ত ইতিহাস

এটি শুধু একটি ছবি নয়—এটি কুষ্টিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসের এক অমূল্য দলিল, এক গৌরবময় সময়ের জীবন্ত স্মারক। বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলা ক্রিকেট লিগে পি.ডব্লিউ.ডি. ক্লাব কুষ্টিয়া চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দঘন মুহূর্তে আয়োজিত ডিনারের স্মৃতিবিজড়িত এই ছবিটি আজও কুষ্টিয়ার ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।

ছবিতে রয়েছেন—,,,সুজাত আলী,, মতিউর রহমান লালটু, জিল্লুর রহমান জিল্লু, নজিবর রহমান নজি, মফিজুর রহমান, ব্যুরো হাফিজুর রহমান, কাল্টু, মোখলেসুর রহমান ভাই, পি.ডব্লিউ.ডি.-এর ইঞ্জিনিয়ার সাদিক খান, ওয়াবদা পাওয়ারের ইঞ্জিনিয়ার বাচ্চু ভাই, মজিবর রহমান, আমিরুল ইসলাম আমু, তপন কুমার সাহা, কাইয়ুম নাজার এবং ছোট আনিস। প্রত্যেকেই কুষ্টিয়ার ক্রিকেটের ইতিহাসে নিজ নিজ অবদানের মাধ্যমে স্মরণীয় হয়ে আছেন।

সময়ের নির্মম পরিক্রমায় এই ছবির প্রায় ১১-১২ জন প্রিয় মুখ আজ আর আমাদের মাঝে নেই। তাঁরা চলে গেছেন না-ফেরার দেশে। কিন্তু তাঁদের অবদান, খেলার প্রতি নিবেদন, বন্ধুত্ব, সৌহার্দ্য এবং ক্রিকেটের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা আজও কুষ্টিয়ার ক্রিকেটাঙ্গনে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। মহান আল্লাহ তাঁদের সকলকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।

এই অমূল্য স্মৃতিচিত্রটি আমাকে উপহার দিয়েছেন টেক্সটাইলের তৎকালীন ম্যানেজার আলম ভাই। তাঁর প্রতি জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও সম্মান। মহান আল্লাহ তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও নেক হায়াত দান করুন। আমিন।

স্মৃতি কখনো পুরোনো হয় না। পুরোনো ছবিগুলোই আমাদের মনে করিয়ে দেয়—একসময় মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষ হলে সবাই ছিলাম এক পরিবার। জয়-পরাজয়ের ঊর্ধ্বে ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব। সেই মানুষগুলোর অনেকেই আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁদের রেখে যাওয়া ক্রীড়াস্পৃহা, মানবিকতা এবং ঐক্যের বার্তা কুষ্টিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবে।

এমন স্মৃতিই আগামী প্রজন্মকে জানাবে—কুষ্টিয়ার ক্রিকেটের শিকড় কতটা সমৃদ্ধ, আর সেই শিকড় গড়ে তুলেছিলেন একদল নিবেদিতপ্রাণ মানুষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!