• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কু’মা’রী পরিচয়ে এ’কা’ধিক বি’য়ে ও প্র’তার’ণা’র অ’ভি’যো’গ সাথী নামে এক না’রী’র বি’রু’দ্ধে বাগেরহাটের রামপালে ডেঙ্গু প্র’তি’রো’ধে প’রি’চ্ছ’ন্নতা অ’ভি’যা:ন উদ্বোধন লালপুরে আ’ইডি হ্যা’কিং চ’ক্রের স’ক্রিয় সদস্য আ’ট’ক পিএইচডি ডিগ্রি পেলেন জেলা ও দায়রা জজ মো. তাজুল ইসলাম কারাগারে সাবেক এমপির মোবাইলে মিললো কয়েক ড’জন প’র্ন ভি’ডিও নদীতে ডুবে নি’খোঁ’জে’র ঘ’ট’নায় ৩ জনের ম”র”দে”হ উ”দ্ধা”র দৌলতপুরে পদ্মার পানি বৃদ্ধি,৩৫ গ্রামের পানিবন্দী ৭০ হাজার মানুষ ব্যাহত ২৮ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেণী কার্যক্রম  পিকনিকের নৌকা থেকে ছি’ট’কে পড়ে ছাত্রদল নে’তাস’হ নি”খোঁ’জ ৩ কুষ্টিয়া-মেহেরপুর মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও কলাবোঝাই নছিমনের মু’খো’মু’খি সং’ঘ’র্ষে নি”হ”ত ১, আ”হ’ত ২০ জানুয়া‌রি-মার্চের মধ্যে পদ্মা ব‌্যা‌রে‌জের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন হবে: পা‌নিসম্পদ মন্ত্রী

কু’মা’রী পরিচয়ে এ’কা’ধিক বি’য়ে ও প্র’তার’ণা’র অ’ভি’যো’গ সাথী নামে এক না’রী’র বি’রু’দ্ধে

notuntimes / ৪৯ Time View
Update : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কুমারী পরিচয় ও ভিন্ন নামে একাধিক যুবককে বিয়ের ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল, অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে নেওয়া, প্রতারণা ও জালিয়াতিসহ নিরীহ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে সাথী আক্তার (২৪) নামে এক নারীর বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ এনে গ্রেপ্তার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাবেক স্বামী নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার জয়পুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. মিজানুর রহমান।

মিজানুর রহমানের অভিযোগ, নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার সাওতা ইউনিয়নের মানকান্দিয়া গ্রামের মো. মোফাজ্জলের মেয়ে সাথী এ পর্যন্ত চারটির বেশি বিয়ে করেছেন। সম্পদশালী ব্যবসায়ী, উচ্চপদস্থ চাকরিজীবী ও প্রবাসী পুরুষদের টার্গেট করে প্রথমে সম্পর্ক গড়ে তোলেন তিনি। পরে বিভিন্ন কৌশলে তাদের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে জড়িয়ে অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ মিজানুরের।

মিজানুরের দাবি, ২০২০ সালের ২১ জুন ‘সুমা আক্তার’ নামে কুমারী পরিচয়ে নেত্রকোনা সদর উপজেলার বড়গাড়া গ্রামের এখলাছ উদ্দিনের ছেলে মো. জুলহাসকে বিয়ে করেন সাথী। নিকাহনামায় ওই নারীর বয়স ২২ বছর ৫ মাস ১৯ দিন উল্লেখ করা হয়। বিয়েটি সম্পাদন করেন কাজী আব্দুল আল মামুন।মিজানুরের অভিযোগ, বিয়ের সপ্তাহখানেকের মধ্যেই নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে জুলহাসের বাড়ি থেকে চলে যান সাথী।

জুলহাস মিয়া বলেন, সাথীর সঙ্গে তার পরিচয়ের পর তাকে ব্ল্যাকমেইল করে রাতের মধ্যে বিয়ে করানো হয়। পরে তিনি ও তার পরিবার ওই বিয়ে মেনে নেননি। গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয় এবং টাকা দিয়ে তাকে বিদায় করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। তবে টাকার পরিমাণ জানাতে চাননি জুলহাস।

এরপর ২০২১ সালের ২৭ মে মোহনগঞ্জ উপজেলার সমাজ-সহিলদেও ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে মিজানুর রহমানকে বিয়ে করেন সাথী। নিকাহনামায় নিজেকে ‘প্রথম বিবাহিতা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তিন লাখ টাকা দেনমোহরের মধ্যে এক লাখ টাকা তলব দেখিয়ে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়েটি সম্পাদন করেন কাজী মো. মুতি উল্লাহ।

মিজানুরের অভিযোগ, ওই সময়ও সাথী তার আগের বিয়ের তথ্য গোপন করেন। বিয়ের পর বিষয়টি জানতে পেরে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সাথী তার বাড়ি থেকে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে চলে যান। পরে ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর মিজানুর তাকে তালাক দেন। এরপর ২০২৫ সালে তার বিরুদ্ধে যৌতুক ও পারিবারিক আদালতে মামলা করা হয়েছে বলে জানান মিজানুর।

মিজানুর আরও অভিযোগ করেন, একাধিক বিয়ের পর স্বামীদের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হলে মামলা ও হয়রানির ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করেন সাথী। এভাবে অন্য কোনো যুবক যেন প্রতারণার শিকার না হন, সেজন্য সাথী ও তার পরিবারের সদস্যদের কর্মকাণ্ড তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।এ বিষয়ে সাথীর বিয়ের কাজী আব্দুল আল মামুন বলেন, ঘটনাটি ২০২০ সালের এবং অনেক পুরোনো হওয়ায় বিস্তারিত মনে নেই। তবে তার ভাষ্য, প্রতারণা করে একেক জায়গায় বিয়ে করে দেনমোহরের টাকা নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনা ঘটলে তা তদন্ত করা প্রয়োজন।

অন্যদিকে সাথীর সঙ্গে মিজানুরের বিয়ের কাজী মো. মুতি উল্লাহ বলেন, বিয়ের সময় সাথী আগের বিয়ের কথা জানাননি। পরে বিষয়টি জানতে পারেন তিনি। মিজানুর তাকে আগের একটি কাবিননামা দেখিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সালিশও হয়েছে এবং সাথী পরে আগের বিয়ের কথা স্বীকার করে মিজানের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!