বৃহত্তর কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত ওয়ালিউল বারী চৌধুরীর ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০২০ সালের আজকের দিনে করোনাসহ বার্ধক্য জনিত কারণে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এ উপলক্ষে কুষ্টিয়া শহরের একটি বেসরকারি সংস্থার মিলনায়তনে ‘সাংবাদিকতার পথিকৃৎ ও নির্ভীক কণ্ঠস্বর’ শীর্ষক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায়।
সভায় গবেষক ও লেখক প্রফেসর ড. আবুল আহসান চৌধুরী, গবেষক অ্যাডভোকেট লালিম হক, অ্যাডভোকেট কেজি মোস্তফা, ডা. মুসা কবির, সাংবাদিক আবদুর রশিদ চৌধুরী, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমদ, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা এস এম কাদেরী শাকিলসহ সহ সমাজের বিশিষ্টজনেরা ওয়ালিউল বাড়ি চৌধুরীর কর্ম ও দর্শন নিয়ে আলোকপাত করেন।
বক্তারা বলেন, ওয়ালিউল বারী চৌধুরী কেবল একজন সাংবাদিক বা সম্পাদকই ছিলেন না, তিনি নিজেকে সাংবাদিকতার একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। তিনি একাধারে ভাষা সৈনিক, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং একজন সমাজ হিতৈষী মানুষ ছিলেন। তারা বলেন, ওয়ালিউল বারী চৌধুরী ১৯৭১ সালের ১৫ এপ্রিল ভারত থেকে প্রকাশ করেন ‘স্বাধীন বাংলা’ নামে একটি পত্রিকা, যা কুষ্টিয়াসহ আশেপাশের অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বাড়িয়ে তুলেছিল। এর আগে ১৯৬৩ সালে তিনি প্রকাশ শুরু করেন ‘মশাল’ নামের একটি কাগজ। দেশ স্বাধীনের পর ওয়ালিউল বারী চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশ হয় সাপ্তাহিক ইস্পাত। তৎকালীন সময়ে এই পত্রিকা অঞ্চলের স্বাধীন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে এক বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। তৎকালীন সময়ে এটি ছিল সংবাদকর্মী তৈরীর সূতিকাগার। বক্তারা বলেন, এই নির্ভীক সাংবাদিকের আদর্শ ও জীবন দর্শন বর্তমান সময়ের সংবাদ কর্মীদের জন্য আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করতে পারে।