এবার প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতরের (ডিজিএফআই) জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে গুমের মামলায় আসামি হচ্ছেন সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রিফাত নিলয় জোয়ার্দার। তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখাতে ইতোমধ্যে ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানানো হয়েছে। আগামী ২৪ মে তাকে হাজিরের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
অভিযোগে বলা হয়, রিফাত নিলয় জোয়ার্দার ঢাকার ধানমন্ডি ১৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিকীসহ আওয়ামীলীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দের প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ও প্রশ্রয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পদ্ধতিগতভাবে এবং ব্যাপকমাত্রায় বলপূর্বক গুম সংঘটিত হয়।
এতে আরও বলা হয়, রিফাত নিলয় জোয়ার্দারের প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ও প্রশ্রয়ে বলপূর্বক গুমের শিকার হওয়া ভুক্তভোগী মো. মশিউর রহমানসহ একাধিক ব্যক্তিকে ডিজিএফআইয়ের নিয়ন্ত্রাধীন বিভিন্ন গোপন বন্দিশালায় অবৈধভাবে আটক করে রাখা হয়। আটক থাকাকালীন সময়ে গুমকৃত ব্যক্তিদের ওপর বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন করা হয়। যার মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। ফলে তাকে গুমের এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো প্রয়োজন।
তদন্ত সংস্থা দাবি করেছে, চব্বিশের আগস্ট মাস থেকে শুরু হওয়া এই তদন্তে ভিকটিম, তাদের পরিবার এবং বিভিন্ন নথিপত্র পর্যালোচনা করে রিফাত নিলয় জোয়ার্দারের বিরুদ্ধে এসব অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এই মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।