• সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমার মৃ”ত্যু”র জন্য ইউএনও দা”য়ী’ লি’খে ফেসবুকে পো’স্ট, প্র’ত্যা’হা’র এসিল্যান্ড স্বামীর ভাড়া বা’সা থেকে কুবি শি’ক্ষা’র্থীর ঝু’ল”ন্ত ম”র”দে”হ উ”দ্ধা’র মিরপুরে কাভার্ড ভ্যান-অটো রিক্সার সং’ঘ’র্ষে একজন নি’হ’ত খুলনায় ক্লি’নি’কে গু’লি’ব’র্ষ’ণ, ভা’ঙ’চু’র ইউপি নি’র্বা’চ’নে বিএনপির প্রা’র্থী’কে প’রি’চয় করিয়ে দিলেন এমপি, ইউএনওর হাততালির ভিডিও ভা’ই’রা’ল বাবার বাড়ি থেকে না_স্তা কম দেওয়ায় শ্বশুরবাড়িতে মা’র’ধ’র, ৯ দিন পর অ’ন্তঃস’ত্ত্বা গৃ’হব’ধূ’র মৃ”‘ত্যু বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগ, আবেদন করতে পারবেন অভিজ্ঞ-অনভিজ্ঞরা আমার মৃ”ত্যু’র জন্য ইউএনও দা”য়ী’—এসিল্যান্ডের ফেসবুক পো’স্টে তো’ল’পা’ড় হামের উ’প’স’র্গে একদিনেই আট জনের মৃ”‘ত্যু বালুবোঝাই ট্রাক উ”ল্টে প’ড়’ল প্রাইভেটকারের ও’প’র, মা-ছে’লে’র মৃ”ত্যু

দৌলতপুরে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট, বন্ধ ফিলিং স্টেশন

notuntimes / ৪৯৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে‌ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে। উপজেলার তিনটি ফিলিং স্টেশনে তেল না থাকায় সেগুলো কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। এতে করে যানবাহন চলাচল নিয়ে সাধারণ মানুষ পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।

জানা গেছে, সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে একটি অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অধিক মুনাফার আশায় জ্বালানি তেল মজুত করছে, এমন অভিযোগ উঠেছে। এরফলে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার তিনটি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে তারাগুনিয়ার মেসার্স সাগর ফিলিং স্টেশন, আল্লারদর্গার মেসার্স রফিক ফিলিং স্টেশন এবং খলিশাকুন্ডির মেসার্স হাফিজ ফিলিং স্টেশন বর্তমানে জ্বালানি তেলশূন্য হয়ে পড়েছে। প্রতিটি তেল পাম্পেই নোটিশ টানিয়ে জানানো হয়েছে, ‘তৈল নাই, প্রাপ্তি সাপেক্ষে বিতরণ করা হবে’।

এদিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আরও পাঁচটি জ্বালানি এজেন্সি রয়েছে। এরমধ্যে, মথুরাপুরে হাসিব, হোসেনাবাদের রিপেল, দৌলতপুর সেন্টার মোড়ে মজনু ও মিরাজ

এবং আল্লারদর্গায় কামাল উল্লেখযোগ্য। তবে আজ মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে শুধুমাত্র দৌলতপুর সেন্টার মোড়ের মিরাজ এর এজেন্সি থেকে নির্ধারিত মূল্যে গ্রাহকদের লাইন দিয়ে তেল সংগ্রহ করতে দেখা গেছে। বাঁকীগুলি তেল না থাকার অযুহাত দেখিয়ে বন্ধ রাখতে দেখা গেছে।

এলকাবাসীদের অভিযোগ, এসব এজেন্সির কাছে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে। তবে তারা তা খোলা বাজারে সরবরাহ না করে বেশি দামে বিক্রি করছেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রতি লিটার পেট্রোল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

এদিকে অবৈধভাবে মজুদকরা তেল পাচারকালে বিজিবির তল্লাশিতে প্রায় ২০০ লিটার তেল জব্দ করা হয়।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের ১৩ নং খলিশাকুন্ডি ইউনিয়নের হাফিজ ফিলিং স্টেশন-এর কয়েকজন কর্মচারীর সঙ্গে কথা বললে তারাও একই ধরনের তথ্য দেন। তারা জানান, পাম্পে পেট্রোল শেষ হয়ে গেছে। তাদের অকটেন বিক্রির অনুমোদন নেই। তবে সামান্য কিছু ডিজেল থাকায় সেটি সারাদিন অল্প অল্প করে বিক্রি করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে তারাগুনিয়ার সাগর ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী মো. নজরুল ইসলাম-এর বড় ছেলে শাওন বিশ্বাস জানান, গত ৮ মার্চ সন্ধ্যার দিকে আমাদের পাম্পে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যায়। এর আগে ৪ মার্চ বুধবার খুলনার মেঘনা ডিপো থেকে আমরা ৯ হাজার লিটার ডিজেল এবং ৪ হাজার ৫০০ লিটার অকটেন পেয়েছিলাম। তা এখন সব শেষ।

এদিকে সীমান্ত এলাকায় জ্বালানি তেলের পাচার রোধে কঠোর নজরদারিতে রয়েছে ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। সীমান্তজুড়ে নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজন যানবাহন ও চলাচলের ওপর তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

বর্তমানে জ্বালানি সংকটের কারণে দৌলতপুর উপজেলার পরিবহন ব্যবস্থা ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে ব্যাপক প্রভাব পড়ছে। দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় ফিলিং স্টেশন মালিক ও সাধারণ গ্রাহকরা।

সংশ্লিষ্ট স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে একটি অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অধিক মুনাফার আশায় জ্বালানি তেল মজুত করছে, এমন অভিযোগ উঠেছে। এরফলে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, দৌলতপুর উপজেলার তিনটি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে তারাগুনিয়ার মেসার্স সাগর ফিলিং স্টেশন, আল্লারদর্গার মেসার্স রফিক ফিলিং স্টেশন এবং খলিশাকুন্ডির মেসার্স হাফিজ ফিলিং স্টেশন বর্তমানে জ্বালানি তেলশূন্য হয়ে পড়েছে। প্রতিটি তেল পাম্পেই নোটিশ টানিয়ে জানানো হয়েছে, ‘তৈল নাই, প্রাপ্তি সাপেক্ষে বিতরণ করা হবে’।

এদিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আরও পাঁচটি জ্বালানি এজেন্সি রয়েছে। এরমধ্যে, মথুরাপুরে হাসিব, হোসেনাবাদের রিপেল, দৌলতপুর সেন্টার মোড়ে মজনু ও মিরাজ

এবং আল্লারদর্গায় কামাল উল্লেখযোগ্য। তবে আজ মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে শুধুমাত্র দৌলতপুর সেন্টার মোড়ের মিরাজ এর এজেন্সি থেকে নির্ধারিত মূল্যে গ্রাহকদের লাইন দিয়ে তেল সংগ্রহ করতে দেখা গেছে। বাঁকীগুলি তেল না থাকার অযুহাত দেখিয়ে বন্ধ রাখতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে তারাগুনিয়ার সাগর ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী মো. নজরুল ইসলাম-এর বড় ছেলে শাওন বিশ্বাস জানান, গত ৮ মার্চ সন্ধ্যার দিকে আমাদের পাম্পে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যায়। এর আগে ৪ মার্চ বুধবার খুলনার মেঘনা ডিপো থেকে আমরা ৯ হাজার লিটার ডিজেল এবং ৪ হাজার ৫০০ লিটার অকটেন পেয়েছিলাম। তা এখন সব শেষ।

এদিকে সীমান্ত এলাকায় জ্বালানি তেলের পাচার রোধে কঠোর নজরদারিতে রয়েছে ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। সীমান্তজুড়ে নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজন যানবাহন ও চলাচলের ওপর তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

বর্তমানে জ্বালানি সংকটের কারণে দৌলতপুর উপজেলার পরিবহন ব্যবস্থা ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে ব্যাপক প্রভাব পড়ছে। দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় ফিলিং স্টেশন মালিক ও সাধারণ গ্রাহকরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!