• শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বাগেরহাটের রামপালে জমি দ’খ’ল, ভাং’চু’র ও প্রা”ণ’নাশে’র হু”ম’কির অ’ভি’যোগ সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা কাভার্ডভ্যানকে ট্রাকের ধা’ক্কা, নি হ ত ২ মোটরসাইকেল দু’র্ঘট’না’য় ছাত্রদল কর্মীসহ নি হ ত ২ কুমিল্লায় ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সং”ঘ’র্ষ, আ’হ”ত ৫ প্রতি কিলোমিটারে বাসের ভাড়া বাড়লো ১১ পয়সা ইবি,’র রনজিতপুরে গোয়াল ঘরে ভ’য়া’ব’হ আ”গু’ন: গরুর মৃ ত্যু, ক্ষ’তি’গ্র’স্ত পরিবারের পাশে জামায়াত নে’তৃবৃন্দ খলিসাকুন্ডিতে আধা ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকলে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা থাকে না প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলামের নির্দেশে রামপালে সরকারি খালের অবৈধ বাঁধ অপসারণ এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের ম’নো’নয়নপত্র বা’তি’ল  কুষ্টিয়ার হরিপুর পদ্মার চরে নৌপুলিশের সাথে চ’র”ম’প’ন্থীদের গো’লা’গু’লি ওসিসহ ৫ পুলিশ সদস্য গু’লি’বি’দ্ধ

দ্বিতীয় বিয়ে করতে লাগবে না স্ত্রীর অনুমতি: হাইকোর্ট

notuntimes / ২৮৮ Time View
Update : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬

হাইকোর্টের এক রায়ে মুসলিম পারিবারিক আইনের আওতায় দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে স্ত্রীর অনুমতির বাধ্যবাধকতা নেই বলে স্পষ্ট করা হয়েছে। আদালত বলেছেন, দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি প্রদানের ক্ষমতা স্ত্রীর নয়, বরং আরবিট্রেশন কাউন্সিলের হাতে ন্যস্ত।

রায়ে উল্লেখ করা হয়, মুসলিম আইনে পুরুষের জন্য দ্বিতীয় বিয়ে বৈধ হলেও বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে এটি সামাজিকভাবে নৈতিকতার লঙ্ঘন ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল। তবে সাম্প্রতিক এই রায়ের মাধ্যমে প্রচলিত সেই ধারণায় পরিবর্তন আসতে পারে।

মুসলিম পারিবারিক আইনসংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট বলেন, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে স্ত্রীর অনুমতি নেওয়ার কোনো সরাসরি আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। ২৪ পাতার পূর্ণাঙ্গ রায়ে আদালত ব্যাখ্যা করেন, যেহেতু বিষয়টি আরবিট্রেশন কাউন্সিলের এখতিয়ারভুক্ত, তাই স্ত্রী অনুমতি বাধ্যতামূলক নয়।

এতদিন সাধারণভাবে ধারণা ছিল, প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে না। তবে আদালতের মতে, মুসলিম পারিবারিক আইনে এমন কোনো স্পষ্ট বিধান নেই।

রায়ে দণ্ডবিধি ও পারিবারিক আইনের ইতিহাসও তুলে ধরা হয়। ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় স্ত্রী বা স্বামীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান ছিল। পরে ১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক আইন চালু হলে নারীদের ক্ষেত্রে ওই শাস্তি বহাল থাকলেও পুরুষের দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতির সঙ্গে যুক্ত করা হয়। সে ক্ষেত্রে অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে এক বছর কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়।

তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে রিটকারীরা আপিলের ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, এ সিদ্ধান্তের ফলে বহু বিবাহের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ ও নীতিমালা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। তারা জানান, নারী ও পুরুষের সমান অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই রিট করা হয়েছিল।

সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করছেন, আর্থিক সক্ষমতা ও মনস্তাত্ত্বিক প্রলোভনের কারণে একাধিক বিয়ের সুযোগ অপব্যবহারের ঝুঁকি রয়েছে। এতে সমাজে অসাম্য ও পারিবারিক অস্থিরতা বাড়তে পারে। তাই বিষয়টি সর্বোচ্চ আদালতে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!