• সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১০ অপরাহ্ন

বান্দরবান থেকে ম’নোনয়ন পেলেন আ.লী’গে’র এপিপি 

notuntimes / ৭১ Time View
Update : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলা সংরক্ষিত মহিলা আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা। তিনি আগে কখনো বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, মিটিং, মিছিল বা সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন না।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি বান্দরবান জেলায় সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং অন্তর্বর্তী সরকার আমলে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

সোমবার (২০ এপ্রিল) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ১৩তম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ৩৬ জন প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করে। এ তালিকায় বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি নিয়ে গঠিত আসনে মাধবী মারমার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অ্যাডভোকেট মাধবী মারমার বাড়ি বান্দরবান জেলা শহরের মধ্যম পাড়ায়। তার স্বামী একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় চাকরি করেন।

ঘোষণার পর মনোনয়নবঞ্চিত বিএনপির রাজপথের লড়াকু নেত্রী জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম লীনা বলেন, দলের সিদ্ধান্তকে আমি সাধুবাদ জানাই। তবে ভবিষ্যতে রাজনীতিতে ত্যাগী নেত্রী খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমি দীর্ঘ ১৭ বছর জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছি। রাজপথে খেয়ে না খেয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি দলের জন্য। দলের সুসময়ে মূল্যায়ন হবে- এটাই প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু দল যেটি ভালো মনে করেছে সেটিই করেছে।

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রশীদ বলেন, দলের দুঃসময়ে রাজপথে থাকা ত্যাগীদের অগ্রাধিকার দিয়ে মহিলা আসনে মনোনয়নের জন্য তালিকা পাঠানো হয়েছিল। দলের নীতি-নির্ধারকরা যেটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেটি আমরা সাধুবাদ জানাই। দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

এদিকে বিতর্কিত ব্যক্তির নাম মহিলা আসনে মনোনয়নের ঘোষণায় সামাজিক মাধ্যমে বিএনপির সক্রিয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন মহল ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন।

তাদের মতে, দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে যুক্ত ত্যাগী নেত্রীদের উপেক্ষা করে নতুন মুখকে মনোনয়ন দেওয়ায় অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির শীর্ষ কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত কেউ নয়। দলের জন্য তার কোনো ত্যাগ পরিশ্রম নেই। বরং তিনি আওয়ামী লীগের মতাদর্শের এবং আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকার আমলে লাভজনক পদের দায়িত্বে থেকে সুবিধাভোগীদের একজন। এমন ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়ায় বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। ত্যাগীদের মূল্যায়ন না করায় ভবিষ্যতে রাজনীতিতে ত্যাগী নেতাকর্মী হারিয়ে যাবে।

এ বিষয়ে জানতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও বান্দরবানের স্থানীয় সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এবং জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. জাবেদ রেজার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!