ঢাকা কলেজে ছাত্রশিবিরের সঙ্গে ছাত্রদলের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে হামলা ও শোডাউনের ঘটনা ঘটে।
একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ঢাকা কলেজে আলোচনা সভার আয়োজন করে শাখা ছাত্রশিবির।সভার শুরুর আগে কক্ষ ডেকোরেশনের সময় ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পারভেজ মোশারফের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সভায় বাধা ও শিবিরের নেতাকর্মীদের মারধর করেন। এ ঘটনার পর দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুপক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলছিল।ঘটনার পর ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের নেতৃত্বে শতাধিক নেতাকর্মী ক্যাম্পাসের মূল ফটক ও নায়েমের গলিতে লাঠিসোঁটা হাতে অবস্থান করছেন।অপরপাশে ঢাকা কলেজের বিপরীতে মেঘনা ফিলিং স্টেশনে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান করছেন।
ঢাকা কলেজ ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ মামুন বলেন, ছাত্রদলের হামলায় অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আমাদের নিখোঁজ আছেন অন্তত ৫ জন। ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা ফের হামলার উদ্দেশ্যে পুরান ঢাকা, কামরাঙ্গীচর থেকে নিউমার্কেটে শতাধিক বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের অস্ত্রধারীদের জড়ো করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশ ও কলেজ প্রশাসন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
অন্যদিকে ক্যাম্পাসের মূল ফটকের সামনে বিক্ষোভে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মিল্লাদ হোসেন বলেন, শিবির সুপরিকল্পিতভাবে আমাদের ভাইদের হত্যার উদ্দেশে আক্রমণ করে। আমরা আমাদের কর্মী ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য এখানে অবস্থান নিয়েছি। সন্ত্রাসীদের কোনো কার্যক্রম এ ক্যাম্পাসে হবে না। আমরা শিবিরের সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করব। কোনোভাবেই এই ক্যাম্পাসে তাদের রাজনীতি করতে দেব না।
এদিকে ঢাকা-আলিয়াতেও ছাত্রশিবির এবং ছাত্রদলের নেতাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। হলের সিট দখলকে কেন্দ্র করে এমন সংঘর্ষ ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাদ্রাসা এলাকার চারপাশে এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।