মানুষের কষ্টের কথা বিবেচনা করেই রাস্তায় ফেলা হচ্ছে ইট, বামন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ রাশিদুল ইসলাম সোহাগ
মেহেরপুর প্রতিনিধি:
রাস্তা নিয়ে মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই।গাংনী উপজেলার বামন্দী ইউনিয়নের রাস্তাগুলোর বেহাল দশা।চলাচলের একেবারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। চরম কষ্টের মধ্যে চলাচল করছে পথচারী ও যানবাহন চালকরা।বৃষ্টি হলে এই কষ্ট দ্বিগুণ বেড়ে যায়।রাস্তা নিয়ে গত শুক্রবারে যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের একটি ভিডিও দ্রুত নজরে আসে বামন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশিদুল ইসলাম সোহাগের।মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে নিজ উদ্যোগে শনিবার সকালে রাস্তায় ইট ফেলে চলাচলের উপযোগী করে দেন তিনি।তাঁর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও পথচারীরা।এছাড়াও দেবীপুর পুকুর পাড়াতেও ভাঙ্গাচোরা রাস্তায় ইট ফেলা হয় তাঁর উদ্যোগেই।এর আগেও বামন্দী বাসস্ট্যান্ড থেকে বাজারের মধ্যে যে রাস্তা রয়েছে সেই রাস্তাটিতে বড় বড় গর্ত আর খানাখন্দে ভরা ছিল। সেখানেও তিনি ইট ফেলে চলাচলের উপযোগী করে দেন।এই মানবিক কাজগুলোর জন্য তিনি এখন প্রশংসাই ভাসছেন।
স্থানীয়রা জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই চরম ভোগান্তিতে চলাচল করে পথচারী ও যানবাহন চালকরা।এ রাস্তাগুলোতে বর্ষা মৌসুম ভোগান্তির অন্ত থাকে না।রাস্তায় গর্ত হওয়ার কারণে এত পরিমাণ পানি জমা হয় যে বাইসাইকেল নিয়েও যাওয়া যায় না।জনগণের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে রাশিদুল ইসলাম সোহাগ ইট ফেলে চলাচলের উপযোগী করে দেন। এজন্য তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।যারা এসব মানবিক কাজগুলো করে থাকেন তারা সবসময় মানুষের হৃদয়ে থাকেন।
মো: মশিউর রহমান বলেন,বর্ষা মৌসুমে এ রাস্তায় চলাচল করতে মানুষের অনেক কষ্ট হয়।রাস্তায় পানি ও কাদা থাকার কারণে মসজিদে যেতেও কষ্ট হয় মানুষের।আর এই ভাঙ্গাচোরা রাস্তাটি ফেসবুকের মাধ্যমে তাঁর নজরে আসে।তিনি একদিন পরেই রাস্তায় ইট ফেলে দেন।বামন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশিদুল ইসলাম সোহাগ বামন্দী ইউনিয়নের বিভিন্ন রাস্তায় ইট ফেলে চলাচলের উপযোগী করে দিচ্ছেন।তার এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানায়।অনেক সমাজসেবক রয়েছে যারা নিরবে এভাবে মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে কাজ করে যাচ্ছেন।তার মধ্যে তিনি একজন।
তিনি আরও বলেন, রাশিদুল ইসলাম সোহাগ মানুষের জন্য এক নিবেদিত প্রাণ।তাঁর মানবিক গুনে আমরা মুগ্ধ।তিনি সবসময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করেন।তিনি সকল অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকেন।তাই তিনি সকলের নিকটেই আস্থার প্রতিক হয়ে দাঁড়িয়েছেন।
মোঃ সিকনাল আলী বলেন, দেবীপুর দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদ থেকে নাজির উদ্দিনের বাড়ি পর্যন্ত এই রাস্তাটি চলাচলের একেবারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল।জনগণ চরম দুর্ভোগ নিয়ে যাতায়াত করছিল।বিষয়টি নজরে আসে বামন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সমাজসেবক রাশিদুল ইসলাম সোহাগের।তিনি দ্রুত ইট ফেলে চলাচলের উপযোগী করে দেন।এই মহৎ কাজের জন্য আমাদের দোয়া সবসময় তার জন্য থাকবে।
হাবিবুর রহমান বলেন,এর আগে বামন্দী বাজারের সড়কটিতে ইট ফেলে অটো,পাখি ভ্যান,ট্রাক,বাস সহ সব ধরনের যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। রাশিদুল ইসলাম সোহাগের এমন মহৎ কাজের জন্য সবার হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন।
বামন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সমাজসেবক মো: রাশিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, বামন্দী ইউনিয়নের দেবীপুর দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদ থেকে নাজির উদ্দিনের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটিতে চলাচলকারী পথচারী ও যানবাহন চালকরা দীর্ঘদিন ধরে চরম কষ্ট ভোগ করে আসছেন।এ রাস্তার একটি ভিডিও যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেয়া হয়।আর ভিডিওটি নজরে আসে আমার।তারপর দিনই রাস্তাটিতে ইট ফেলে চলাচলের উপযোগী করে দেওয়া হয়।যেহেতু এ রাস্তাটি মাঠ থেকে মানুষের ফসল তোলার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এছাড়াও কাদা পানির মধ্য দিয়ে এই মহল্লার মানুষগুলো অনেক কষ্ট করে মসজিদে নামাজ পড়তে যায়।মানুষের কষ্টের কথা বিবেচনা করেই আমি এই উদ্যোগ নিয়েছি।এছাড়াও দেবীপুর পুকুরপাড়ায়ও ইট ফেলা হয়েছে।এর আগে বামন্দী বাজারের মধ্যে বড় বড় গর্ত ও কানাখন্দ গুলোতে ইট ফেলে চলাচলের উপযোগী করে দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, ইনশাল্লাহ আমি আমার ইউনিয়নের যে সকল দুর্ভোগপূর্ণ রাস্তাগুলো রয়েছে সেগুলো নিয়েও আস্তে আস্তে কাজ করবো।আপনারা সবাই দোয়া করবেন।আমি যেন এভাবেই মানুষের জন্য কাজ করে যেতে পারি।আর আপনাদের ভালবাসা আমাকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে।কাজের মধ্য দিয়েই আপনাদের হৃদয়ে থাকতে চাই।